পাংশার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি চালু করার দাবি
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নে মা ও শিশুদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ২০১৭ সালে নির্মাণ করা হয় ১০ শয্যার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। তিনতলা ভবন, অপারেশন থিয়েটার, আলট্রাসনোগ্রাম কক্ষ ও আবাসিক কোয়ার্টার থাকলেও প্রায় এক দশকেও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি কেন্দ্রটি।
২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর তৎকালীন সংসদ সদস্য মো. জিল্লুল হাকিম কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন। এখানে স্বাভাবিক ও জটিল প্রসব, সিজারিয়ান অপারেশন, নবজাতকের চিকিৎসাসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়ার কথা থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী না থাকায় তা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে সপ্তাহে মাত্র একদিন একজন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ও একজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা অতিরিক্ত দায়িত্বে সেবা দিয়ে থাকেন।
দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় ভবন ও মূল্যবান যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা জাকিয়া সুলতানা বলেন, এখানে ২৪ ঘণ্টা সেবা দেওয়ার কথা। প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ দেওয়া হলে অনেক মানুষ সেবা নিতে আসবে।
স্থানীয় বাসিন্দা হামিদ মিয়া বলেন, পাংশা ও খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দুটিই প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। হাসপাতালে ডাক্তার না থাকায় জরুরি সময়ে মানুষকে দূরে যেতে হয়। দ্রুত প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া দরকার। তাহলে অত্রাঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য সেবার জন্য আর হয়রানি হতে হবে না।
রাজবাড়ী জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু নছর মোহাম্মদ কদর উদ্দীন বলেন, পাংশা ও খোকসা উপজেলার মানুষ এখান থেকে সেবা পাবেন। জনবল নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে। আশা করি দ্রুত এখানে ডাক্তার নার্স সহ প্রয়োজনীয় লোকবল পাওয়া যাবে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত জনবল নিয়োগ করে কেন্দ্রটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু করা হোক।
বিভি/এসজি













মন্তব্য করুন: