• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ০৩ জুলাই ২০২২ | ১৯ আষাঢ় ১৪২৯

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কলেজছাত্রীকে অপহরণ

রাজবাড়ী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৮:০৭, ২৫ মে ২০২২

ফন্ট সাইজ
প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কলেজছাত্রীকে অপহরণ

অভিযুক্ত ইমন

রাজবাড়ীতে সৃষ্টি আক্তার (১৭) নামে একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন সৃষ্টির বড় ভাই আসাদুজ্জামান নূর।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক বুশরা সাইয়েদা মামলাটি আমলে নিয়ে রাজবাড়ী সদর থানার ওসিকে এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার (২৩ মে) এই মামলাটি দায়ের করা হয়।

সৃষ্টি রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর এলাকার হান্নান সরদারের মেয়ে। মামলার আসামিরা হলেন- রাজবাড়ী সদর উপজেলার মুলঘর ইউনিয়নের পন্ডিতবাড়ি গ্রামের সিরাজের ছেলে ইমন (২২) ও স্ত্রী পিয়ারা বেগম (৪০), রাজবাড়ী শহরের শ্রীপুর এলাকার মোক্তারের ছেলে আশিক (১৯), একই এলাকার ইসমাইলের ছেলে আশিক (২০) ও সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের গায়রেল পাড়া এলাকার নছো সরদারের ছেলে লিটন সরদার (৪৩)।

মামলার বাদী আসাদুজ্জামান নূর জানান, তার বোন রাজবাড়ীর ডা. আবুল হোসেন কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। কলেজে যাতায়াতের পথে পন্ডিতবাড়ি গ্রামের সিরাজের ছেলে ইমন তার বোনকে প্রায়ই কুপ্রস্তাব ও প্রেমের প্রস্তাব দিতো। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার বোন কলেজে যাচ্ছিলো। পথে পাবলিক হেলথ্ মোড় থেকে ইমনসহ উল্লেখিত আসামিরা তার বোনকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে অপহরণ করে নিয়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ হয়ে গেলেও তার বোন বাড়ি না ফেরায় কলেজসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও বোনের কোনো খোঁজ পাননি তিনি। এরপর স্থানীয় কিছু লোকের সহায়তায় জানতে পারেন- ইমনসহ উল্লেখিত আসামিরা তার বোন সৃষ্টিকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। পরে তিনি তার পরিবারের লোকজনসহ ইমনদের বাড়িতে গিয়ে তার বোনকে ফেরত চান। সেই সময় ইমনসহ সকল আসামিরা জানায় যে তারা সৃষ্টিকে ফেরত দিবে না। 

আসাদুজ্জামান আশঙ্কা করছেন, ইমন সৃষ্টিকে জোরপূর্বক আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে মেলামেশা করছেন, কিংবা অন্য কোথাও বিক্রি করে দিয়েছেন। যে কারণে তিনি তার বোনকে ফেরত পেতে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেছেন।

এই বিষয়ে রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহাদত হোসেন বলেন, আদালতের নির্দেশনার কোনো কপি এখনো হাতে পাইনি। পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 

বিভি/এমডি/এএন

মন্তব্য করুন: