• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬

ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যা: জয়-পলকের বিচার শুরুর আদেশ

প্রকাশিত: ১৩:৫০, ২১ জানুয়ারি ২০২৬

ফন্ট সাইজ
ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যা: জয়-পলকের বিচার শুরুর আদেশ

চব্বিশের জুলাইয়ের আন্দোলনে ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যার নির্দেশসহ সুনির্দিষ্ট তিন অভিযোগে হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। 

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১ জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে প্রসিকিউশনের প্রারম্ভিক বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্য শুরুর জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করে দেয়।

গ্রেফতার পলককে এদিন অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। জয়কে পলাতক দেখিয়ে এ মামলার বিচার কাজ চলবে।

পলকের পক্ষে আদালতে অব্যাহতির আবেদনের শুনানি করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ। জয়ের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম।

শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে দিয়ে দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে।

গেল ১১ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি করেন প্রধান কৌঁসুলি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ওই দিন তিনটি অভিযোগ পড়ে শোনানোর পাশাপাশি দুই আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আবেদন জানান তিনি।

এ মামলায় তিনটি অভিযোগ হলো-জয়ের ‘নির্দেশে’ ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে ফেইসবুকে ‘উসকানি’ দেন পলক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ‘সশস্ত্র বাহিনী’। এছাড়া ইন্টারনেট বন্ধ করে ‘মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি ও প্ররোচনা’ দেন এ দুই আসামি।

আসামিরা একইসঙ্গে হত্যায় সহায়তা করেন। ফলে পুলিশ ও দলীয় ‘সন্ত্রাসী বাহিনীর’ হামলায় শহীদ হন রাসেল, মোসলেহ উদ্দিনসহ ২৮ জন।

তিন নম্বর অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা উত্তরায় ৩৪ হত্যায় ‘সহায়তা’ করেন।

এসব ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ১০ ডিসেম্বর জয়কে আত্মসমর্পণে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেয় আদালত। ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের জমা দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় আদালত।

চব্বিশের অভ্যুত্থানের সময় ঘটা ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ বিচারের জন্য পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায় আসে গত বছরের ১৭ নভেম্বর।

সেই রায়ে জয়ের মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত