• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

সাতক্ষীরায় সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১১:৩৭, ২ এপ্রিল ২০২৬

ফন্ট সাইজ
সাতক্ষীরায় সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা

সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এনটিভির প্রতিনিধি এমএম জুলফিকার আলি জিন্নাহর ওপর হামলা, মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। জিন্নাহ সাতক্ষীরা শহরের মধ্য কাটিয়া এলাকার শাহ আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনের বিরুদ্ধে বুধবার সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- শহরের কাটিয়া লস্করপাড়ার সৈয়দ শাখাওয়াত আলীর ছেলে সৈয়দ রেজাউল হোসেন টুটুল, তার ছেলে মো. শিহাব, শহরের মুনজিতপুরের ইশারত আলী পান্নার ছেলে শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন, কাটিয়ার শেখ মোশাররফ হোসেনের ছেলে শেখ মাহাবুব উল্লাহ, সদর উপজেলার ঘোনা গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে তরিকুল ইসলাম এবং শহরের পলাশপোলের সাইফুল ইসলাম।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৩০ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার পশ্চিম বানিয়াখামার এলাকার মোকসুদার রশিদের লক্ষীদাঁড়ি মৌজার ১৮ শতক জমির আমমোক্তারনামা দলিল সম্পন্ন করতে জিন্নাহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যান। এ বিষয়ে আগে থেকেই কয়েক দফায় ৫০ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছিল এবং বাকি ৫ লাখ টাকা রেজিস্ট্রি সম্পন্নের সময় দেওয়ার কথা ছিল। রেজিস্ট্রি কার্যক্রম চলাকালে আসামিরা চাঁদা হিসেবে আরও ৫০ লাখ টাকা দাবি করলে জিন্নাহর সঙ্গে তাদের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আসামিরা তাকে এজলাস থেকে জোরপূর্বক বাইরে নিয়ে গিয়ে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে এবং কিল-ঘুষি মেরে গুরুতর জখম করে। পরে তাকে অ্যাডভোকেট আজাদ হোসেন বেলালের বাড়ির সামনে নেওয়া হয় এবং আবার এজলাসে এনে আটকে রেখে ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। এ সময় তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় এবং পুনরায় মারধর করা হয়।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, আসামি টুটুল জিন্নাহর পকেটে থাকা ২ লাখ টাকা এবং আসামি মামুন ৩ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় জিন্নাহ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার তদন্তভার উপ-পরিদর্শক আব্দুল্লাহিল আরিফ নিশাতের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন: