• বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

ইফতার পর্যন্ত বাঁচতে চেয়েছিলেন মোর্শেদ, রেহাই দেয়নি খুনীরা

প্রকাশিত: ১৭:৪০, ৮ এপ্রিল ২০২২

ফন্ট সাইজ
ইফতার পর্যন্ত বাঁচতে চেয়েছিলেন মোর্শেদ, রেহাই দেয়নি খুনীরা

বাজার থেকে ইফতার কিনে বাসায় ফিরছিলেন মোর্শেদ আলী নামের এক যুবক। মাঝপথে তার পথরোধ করেন পূর্ব থেকে শত্রুতা থাকা  গোষ্ঠী। রাস্তার ওপরই কুপিয়ে ও পিটিয়ে পালিয়ে যায় খুনীরা। রাস্তা থেকে হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয় মোর্শেদের। বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীর চেরাংঘর এলাকায়। ভুক্তভোগীর পরিবার বলছে, সেচ প্রকল্পের ইজারা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড।

নিহত মোর্শেদ আলী ওরফে মোর্শেদ বলী (৩৮) পিএমখালী ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকার মাস্টার ওমর আলীর ছেলে।

নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সেলিম উদ্দিন জানান, এঘটনায় হামলাকারীদের চিহ্নিত করা হয়েছে। আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। 

নিহতের চাচাতো ভাই জয়নাল আবেদীন জানান, মোর্শেদের ইজারা নেয়া একটি সরকারি সেচ প্রকল্প স্থানীয় মাহমুদুল হকসহ কয়েকজন দখল করে নেন। এ নিয়ে মোর্শেদের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছিল। কিছু দিনের মধ্যে ওই সেচ প্রকল্পের নতুন করে ইজারা হওয়ার কথা আছে। ইজারা পেতে মোর্শেদ আবেদন করেছেন। এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হন মাহমুদুল। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে এলাকার বাজারে ইফতার কিনে বাসায় ফেরার সময় মোর্শেদের ওপর হামলা চালায় মাহমুদুল, মো. জয়নাল, কলিম উল্লাহসহ অন্তত ২০ জন। তারা মোর্শেদকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পরে স্থানীয়রা তাকে সদর হাসপাতালে নেয়। সেখানে সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা গণমাধ্যমকে জানান, ইফতার নিয়ে ফেরার সময় আকস্মিক হামলা ও রোজায় ক্লান্ত মোর্শেদ হতবিহ্বল হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। হামলার সময় মোর্শেদ হামলাকারীদের বলছিলেন- সারাদিনের রোজায় বেশি ক্লান্ত, মারতে চাইলে ইফতারের পর মারিও। তাও মন গলেনি খুনীদের। রোজাদার মোর্শেদকে কুপিয়ে মাটিতে ফেলে চলে যায় হামলাকারীরা।

বিভি/এজেড

মন্তব্য করুন: