মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড পেলেন অর্পনা রানী রাজবংশী

জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সমাজে পিছিয়ে পড়া মানুষদের সেবায় নিজের জীবন অতিবাহিত করেছিলেন আলবেনিয়া থেকে ভারতে আসা নারী মাদার তেরেসা। ২৬ আগস্ট ছিল সেই মহিয়সী নারীর ১১৫তম জন্মদিন। ১৯১০ সালের এই দিনে আলবেনিয়ার স্কোপেজ শহরে তার জন্ম। মাদার তেরেসার জন্মদিন উপলক্ষে ‘বাংলাদেশ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক সোসাইটি’র উদ্যোগে তার স্মরণে আলোচনা ও ‘মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’-এর আয়োজন করে।
মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ এ শ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে ভূষিত অর্পনা রানী রাজবংশী। সম্প্রতি রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে তাকে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এ সময় অর্পনা রানী রাজবংশী’র হাতে শ্রেষ্ঠ নাট্যকারের পুরস্কার তুলে দেন স্বনামধন্য চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব কাজী হায়াৎ (জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত) ও সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ।
অর্পনা রানী রাজবংশী বলেন- ‘সিস্টার মাদার তেরেসা দীন-দরিদ্র সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন এবং সমাজ বদলে মানুষের পাশে থেকেছেন আজীবন। এমন একজন মহিয়সী নারী বর্তমান সমাজে খুবই দরকার। তার জীবনী এবং কর্মযজ্ঞ মানুষের হৃদয়ে আজও অমলিন হয়ে আছে। কর্তৃপক্ষ এমন সুন্দর একটি আয়োজনের মাধ্যমে যে পুরস্কারে আমাকে নির্বাচিত করেছেন, সেজন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।’
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি সাবেক তথ্য সচিব ও বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ, চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব কাজী হায়াৎ, পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ, সালাম মাহমুদ (নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক গণকণ্ঠ) ইঞ্জি. বুলবুল আহমেদ, সাংবাদিক আব্দুল মালেক (দৈনিক যুগান্তর), আলী আশরাফ আখন্দ, বিপ্লব শরীফ প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠান সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজী।
মাদার তেরেসার অন্যতম উক্তি- ‘গতকাল চলে গিয়েছে, আগামীকাল এখনও আসেনি। আমাদের কাছে শুধু আজ আছে। চলো শুরু করা যাক-।’ ১৯৯৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
বিভি/টিটি
মন্তব্য করুন: