নেপালে চিত্রয়াতি হলো ‘প্রবাসির ক্রেডিট কার্ড‘
জীবনকে রাঙিয়ে তুলতে বর্তমানে প্রায় সবাই কম বেশি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে। ক্রেডিট কার্ডের বিড়ম্বনায় পরে মানুষ কিভাবে ধ্বংষ হয়ে যাচ্ছে এমনি গল্প নিয়ে সম্প্রতি নেপারের সৌন্দর্যমন্ডিত বিভিন্ন লোকেশনে রাজীব মণি দাস’র রচনা ও মো. ফাহাদ‘র পরিচালনায় নির্মিত হলো ‘প্রবাসির ক্রেডিট কার্ড‘। প্রবাসির ক্রেডিট কার্ড গল্পে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- আ.খ.ম হাসান, শিবলী নোমান, সুমাইয়া অর্পা, প্রিসিলা ডি কস্টা, ফরিদ হোসেন প্রমুখ।
মো. ফাহাদ বলেন, ক্রেডিট কার্ড না বুঝে ব্যবহার করলে মানুষের যে কি ভয়ঙ্কর ক্ষতি হতে পারে সে নিজেও জানেনা। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রত্যেককে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। গল্পে ক্রেডিট কার্ডের সুফল ও কুফল দুই দিকই দক্ষ ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছেন রচয়িতা।
রাজীব মণি দাস বলেন, ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারি প্রত্যেকটি মানুষ কিভাবে যেন ঋণের মধ্যে আটকে যায়, সেটা অনেক সময় মানুষ বুঝতেই পারেনা। আর না বুঝে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের কারণে অনেক সময় মানুষের জীবনে নেমে আসে বিষাদের কালো ছায়া।
গল্পে দেখা যায়, আমরা মনে করি ক্রেডিট কার্ড টাকা, মানে আমার নিজের টাকা! কিন্তু ব্যাস্তবিক অর্থে সেটা ব্যাংকের টাকা। ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টাকা ধার দেয় গ্রাহককে, তার বিনিয়য়ে শর্ত জুরে দেয় অনেকগুলো। গ্রাহক অনেক সময় সেই সব শর্তের তুয়াক্কা না করেই ক্রেডিট কার্ডের শর্ত ভঙ্গ করে তা ব্যবহার করতে থাকে। যার ফলে ইন্টারেস্ট বৃদ্ধি পায় ব্যাংকের নিয়ম অনুসারে। যাকিনা গ্রাহক কোনোদিন চিন্তাও করতে পারেনা। কথায় আছে ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না। এমনই গল্প নিয়ে এগিয়ে যায় ‘প্রবাসির ক্রেডিট কার্ড‘ গল্পের প্রত্যেকটি চরিত্র।
বিভি/টিটি



মন্তব্য করুন: