• NEWS PORTAL

  • মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

ঈদে ‘ইত্যাদি’র চমক

অর্ধশতাধিক বিদেশির নাচ-গান-অভিনয়ে বাংলা সংস্কৃতির রঙ

প্রকাশিত: ১৬:০২, ২ মার্চ ২০২৬

ফন্ট সাইজ
অর্ধশতাধিক বিদেশির নাচ-গান-অভিনয়ে বাংলা সংস্কৃতির রঙ

ঈদের বিশেষ আয়োজন মানেই দর্শকের অপেক্ষার প্রহর—আর সেই তালিকায় সবার আগে থাকে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি। এবারের ঈদেও ব্যতিক্রম নয়। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্ব ‘বিদেশিদের অংশগ্রহণ’—যেখানে বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা বাংলা ভাষায় নাচ, গান ও অভিনয়ের মাধ্যমে তুলে ধরেন আমাদের লোকজ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সামাজিক বাস্তবতা।

প্রায় তিন দশক ধরে এই অভিনব আয়োজনের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে আসছেন বরেণ্য নির্মাতা ও উপস্থাপক হানিফ সংকেত। শুধু বিনোদন নয়, এই পর্বের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে ছড়িয়ে পড়ছে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির অনন্য রূপ। গ্রামের সহজ-সরল মানুষের চরিত্রচিত্রণ থেকে শুরু করে কুসংস্কার ও সামাজিক অসঙ্গতি—সবই উঠে আসে ব্যঙ্গ-রস ও নাট্যরূপে।

এবারের পর্বে অংশ নিয়েছেন জাপান, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, পোল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, স্পেন, রোমানিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় অর্ধশতাধিক নাগরিক। তাঁরা বাংলাদেশে বিভিন্ন দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত। অল্প সময়ের মহড়ায় তাঁদের নিখুঁত উচ্চারণ ও অভিনয় দর্শকদের বরাবরই বিস্মিত করে।

সমসাময়িক সামাজিক প্রেক্ষাপটে আত্মস্বার্থ ও দ্বিমুখী মানসিকতার মতো বিষয়কে উপজীব্য করে নির্মিত হয়েছে এবারের বিদেশি পর্ব। পাশাপাশি থাকছে একটি বিষয়ভিত্তিক গানের সঙ্গে মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশনা। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন রাজিব ও তানজিনা রুমা; সংগীত পরিচালনা করেছেন মেহেদী এবং নৃত্য পরিচালনায় রয়েছেন মামুন।

বিদেশিদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে হানিফ সংকেত বলেন, অপেশাদার হয়েও তাঁদের নিষ্ঠা, সময়জ্ঞান ও আন্তরিকতা অনেক পেশাদার শিল্পীর জন্যও শিক্ষণীয়। কয়েকটি বাংলা শব্দ আয়ত্ত করতে তাঁদের যে পরিমাণ মহড়া, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। স্বল্প সময়ে গড়ে ওঠা আন্তরিক সম্পর্কও তাঁর কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকে।

ঈদের পরদিন রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর বাংলাদেশ টেলিভিশন-এ প্রচারিত হবে ঈদের বিশেষ ‘ইত্যাদি’। অনুষ্ঠানটি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন এবং পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড।

দর্শকদের জন্য এবারও থাকছে আনন্দ, ব্যঙ্গ আর সংস্কৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন।

মন্তব্য করুন: