• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

জন্মদিনে ঋতুপর্ণাকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা রাইমা সেনের

প্রকাশিত: ০০:৪৭, ৮ নভেম্বর ২০২৬

আপডেট: ০০:৪৭, ৮ নভেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
জন্মদিনে ঋতুপর্ণাকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা রাইমা সেনের

ছবি: আনন্দবাজার পত্রিকা

অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের জন্মদিনে (৭ নভেম্বর) তাকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী রাইমা সেন। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, একসঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা এবং ঋতুপর্ণার ব্যক্তিত্বের নানা দিক আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত এক লেখায় তুলে ধরেছেন তিনি।

রাইমার চোখে, ঋতুপর্ণা শুধু একজন সফল অভিনেত্রী নন, বরং সৎ, মাটির কাছাকাছি থাকা এবং সবসময় অন্যের পাশে দাঁড়ানো একজন মানুষ। জন্মদিনে বন্ধুর জন্য সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘ জীবন ও আরও সাফল্য কামনা করেছেন রাইমা।

ঋতুপর্ণার সঙ্গে প্রথম পরিচয়ের স্মৃতিচারণা করে রাইমা জানান, ‘চোখের বালি’ ছবির শুটিংয়ের সময় তাদের প্রথম দেখা হয়েছিল। প্রথম আলাপেই দুজনের বন্ধুত্ব হয়ে যায়। সেদিন অনেক গল্প করেছিলেন তারা। মনে হয়েছিল, যেন বহুদিনের পরিচিত।

এরপর ‘নিশিযাপন’ ও ‘অনুরণন’সহ একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন দুই অভিনেত্রী। ঋতুপর্ণার সঙ্গে কাজ করার সময় সবসময় স্বচ্ছন্দ বোধ করেন বলে জানিয়েছেন রাইমা। তার ভাষায়, ঋতুর পাশে থাকলে একধরনের নিরাপত্তাবোধ কাজ করে। কাজের প্রতি ঋতুপর্ণার নিষ্ঠারও প্রশংসা করেছেন তিনি। এত বছর পরও কাজের প্রতি তার আগ্রহ ও ব্যস্ততা কমেনি বলে মনে করেন রাইমা।

মানুষ হিসেবেও ঋতুপর্ণার প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন রাইমা। তার মতে, ঋতু সবসময় অন্যের কথা ভাবেন, প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ান এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। বড় তারকা হয়েও তার মধ্যে অহংবোধ নেই। বরং সবার সঙ্গে সম্মান দিয়ে কথা বলেন এবং সহজভাবে মিশতে পারেন। এসব গুণের কারণেই ঋতুপর্ণা সবার কাছে এত প্রিয় বলে মনে করেন তিনি।

দুই অভিনেত্রীর জন্মদিন একই দিনে হওয়ায় তাদের বন্ধুত্বে যোগ হয়েছে বাড়তি আনন্দ। জন্মদিনে একসঙ্গে দেখা করা কিংবা বাড়িতে খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করেন তারা। মুম্বাইয়ে রাইমার বাড়িতে যেমন যান ঋতুপর্ণা, তেমনি রাইমাও যান তার বন্ধুর বাড়িতে। একসঙ্গে থাকলে গল্প, আড্ডার পাশাপাশি পরনিন্দা-পরচর্চাও চলে বলে মজা করে জানিয়েছেন রাইমা।

‘নিশিযাপন’ ছবির শুটিংয়ের একটি মজার স্মৃতিও তুলে ধরেছেন তিনি। ছবিটির আউটডোর শুটিং হয়েছিল কালিম্পংয়ে। সেখানে শুটিংয়ের ফাঁকে ঋতুপর্ণাকে নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে পড়তেন রাইমা। দুজনে মিলে প্রচুর মোমো খেয়েছিলেন। তাদের এমন ঘোরাঘুরিতে ইউনিটের সদস্যরা বিরক্ত হলেও সেই সময়ের স্মৃতি আজও আনন্দ দেয় রাইমাকে।

অনেক দিন একসঙ্গে কাজ না হলেও তাদের বন্ধুত্বে কোনো ভাটা পড়েনি বলে জানিয়েছেন রাইমা। দেখা হলেই আগের মতো গল্পে মেতে ওঠেন দুজন। ঋতুপর্ণার জন্মদিনে তার প্রত্যাশা, বন্ধু যেন সারাজীবন এমনই থাকেন, সবাইকে ভালোবাসেন এবং জীবনে আরও সাফল্য পান। পাশাপাশি তার সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন রাইমা। ভবিষ্যতে একসঙ্গে আরও সুন্দর সময় কাটানোর আশাও প্রকাশ করেছেন তিনি।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত