হাদিসুরের মৃতদেহ আজ নেয়া হচ্ছে রোমানিয়ায়
ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে রকেট হামলায় এম ভি বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজের নিহত ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমানের মরদেহ রোমানিয়ায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) মলদোভা হয়ে রোমানিয়া পাঠানো হবে। এরপর শুক্রবার (১১ মার্চ) তার মরদেহ দেশে আসতে পারে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধের কারণে অফিসিয়াল লোকজন না থাকায় হাদিসুরের মরদেহ রোমানিয়া নিতে বিলম্বিত হয়েছে। বুধবার যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে। আজ ইউক্রেন থেকে মলদোভা হয়ে বুখারেস্টে নেয়ার কথা রয়েছে হাদিসুরের মরদেহ বহনকারি ফ্রিজার ভ্যানটি। তুরস্ক হয়ে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে যায় বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজটি। যুদ্ধের কারণে আটকে পড়া জাহাজটিতে গত ২ মার্চ রকেট হামলায় মারা যান থার্ড ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমান।
গত ২ মার্চ ইউক্রেনে বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজে রকেট হামলায় জাহাজের থার্ড ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমান মারা যান। পরদিন ৩ মার্চ অক্ষত অবস্থায় জাহাজটি থেকে ২৮ নাবিককে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে তাদের নিরাপদ বাঙ্কারে রাখা হয়। সেখান থেকে তাদের প্রথমে মলদোভা, পরে রোমানিয়া নিয়ে আসা হয়। ৯ মার্চ ২৮ নাবিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
ইউক্রেন থেকে ২৮ নাবিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হলেও হাদিসুরের মরদেহ আনা সম্ভব হয়নি। তার মরদেহ ইউক্রেনে ফ্রিজিং করে রাখা হয়েছিলো।
ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে ২৯ জন নাবিক নিয়ে আটকা পড়েছিল ‘বাংলার সমৃদ্ধি’। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের এই জাহাজটি গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে পৌঁছে। জাহাজটি ইউক্রেন থেকে সিরামিকের কাঁচামাল নিয়ে ইতালিতে যাওয়ার কথা ছিল। তবে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ার পর তারা আটকে পড়েছিলেন।
বিভি/রিসি













মন্তব্য করুন: