সামিয়া আর কুকুরকে খাবার দেবে না
সামিয়া যাদের গুলিতে মারা গেছে তাদের মনটা খুব খারাপ। তবে শুরুতে যখন জানতে পেরেছিল যে সামিয়া মারা গেছে তখন অনেক খুশি হয়েছিল। যদিও ওরা গিয়েছিল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মারতে, বোনাস হিসেবে সামিয়া মারা যাওয়াতে ভেবেছিল 'এইবার আমাদের 'ভাইরাল' হওয়া কে আটকায়? আমাদের 'কাজ' নিয়ে ফেসবুক গরম থাকবে ভাবতেই তো কেমন লাগে!'
নাহ এর কিছুই হয় নাই! ২২ বছরের সামিয়া কোন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল না তাই রাস্তাও আটকায় নাই কেউ। সাধারণ একটা মেয়ে যে সাধারণ একটা জীবনযাপন করতো। খালি একটা ভুল করেছিল সে, বাসা থেকে বের হয়ে রিকশা করে বন্ধুর বাসায় যাচ্ছিল। এই অমার্জনীয় অপরাধের শাস্তি হওয়াই উচিৎ।
একদিক দিয়ে অবশ্য ভালই হয়েছে। বাসার সামনে কুকুরগুলোকে খাবার দিত সামিয়া, এটা নিয়ে অনেকের অভিযোগও ছিল। কেউ আর সামিয়াকে নিয়ে অভিযোগ করবে না। ওহ আরেকটা ভাল ব্যাপার হয়েছে, সামিয়ার বাবা বলেছেন তিনি বিচার চান না। বুদ্ধিমান আর ভাল মানুষ! নিজেরসহ কত মানুষের সময় বাঁচিয়ে দিলেন।



মন্তব্য করুন: