স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন, ই-হেলথ কার্ড আনছে সরকার
প্রতীকী ছবি
নাগরিকদের ইলেকট্রনিক-হেলথ কার্ড দেয়ার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবায় সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত সরকারের। এ পদ্ধতিতে রোগীর চিকিৎসার বিস্তারিত থাকবে ই-হেলথ কার্ডে। রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসার দায়িত্ব স্বাস্থ্যকর্মীর। তারাই নির্ধারণ করবে, পরবর্তী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি হাসপাতালের সুবিধার বিষয়টি। বিশ্বজুড়ে এভাবে চিকিৎসা সেবা দেয়ার এই পদ্ধতি বেশ কার্যকরও বটে। এজন্য সরকার এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়ার কথা ভাবছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
সামান্য জ্বর-সর্দি কাশিতে যারা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখানোর চিন্তা করছেন, তাদের এখন থেকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা দেবে তৃণমূলের স্বাস্থ্যকর্মীরা। এই সেবা দিতে সরকারের পরিকল্পনা হচ্ছে, দেশের সব নাগরিককে ই-হেলথ কার্ডের আওতায় নেয়া। এই কার্ডে রোগীর সারা জীবনের চিকিৎসার তথ্য রেকর্ড থাকবে। চিকিৎসকরা সেই তথ্যকে ভিত্তি ধরে রোগীর চিকিৎসা শুরু করবেন।
শুরুতে ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবায় থাকবে স্বাস্থ্যকর্মীরা। আর গুরুতর অসুস্থ হলেই কেবল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা দেয়া হবে। সরকারের দায়িত্ব টারশিয়ারি সেন্টার বা জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পাশাপাশি আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি নিশ্চিত করা।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলছেন, প্রাথমিকভাবে একটি জেলাকে মডেল হিসেবে বিবেচনায় রেখে ই-হেলথ কার্ডের কার্যক্রম শুরু করা হবে। ফেজ অনুযায়ী প্রথমে একটি জেলার, উপজেলা, ইউনিয়নের নাগরিকদের ই হেলথ কার্ড দেয়া হবে। পর্যায়ক্রমে তা সারাদেশে বাস্তবায়ন করবে সরকার।
প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরি করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা। হাসপাতালের বিভিন্ন কার্যক্রম মনিটর হবে হেলথ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে। এ পদ্ধতিতে চিকিৎসক পদায়ন সহজ ও কার্যকর হবে বলেও মনে করছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
বিভি/এজেড



মন্তব্য করুন: