নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহে আকাশে দৃশ্যমান হবে উল্কাবৃষ্টি!
নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহেই মহাকাশপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে এক বিস্ময়। ২০২৬ সালের প্রথম সুপারমুন, যা ‘উলফ মুন’ নামে পরিচিত, এই সপ্তাহে আকাশে দৃশ্যমান হবে। তবে চাঁদের এই অতিরিক্ত উজ্জ্বলতার কারণে বছরের প্রথম উল্কাবৃষ্টি ‘কোয়াড্রান্টিড’দেখা কিছুটা কঠিন হতে পারে।
‘দ্য ওল্ড ফার্মার্স অ্যালমানাক’ অনুযায়ী, এই সুপারমুনটি তার পূর্ণ উজ্জ্বলতায় পৌঁছাবে শনিবার (৩ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় ভোর ৫টা ৩ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ৩ মিনিটে)।
তবে নাসার প্ল্যানেটারি ল্যাবরেটরির প্রধান নোয়া পেট্রো জানিয়েছেন, ৩রা জানুয়ারির আগের এবং পরের দিনও চাঁদকে পূর্ণ বলেই মনে হবে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে খালি চোখেই এই দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।
এটি ২০২৬ সালের তিনটি সুপারমুনের মধ্যে অন্যতম। সুপারমুনের সময় চাঁদ পৃথিবীর স্বাভাবিক দূরত্বের চেয়ে কাছে চলে আসে, ফলে একে সাধারণ পূর্ণিমার চেয়ে বড় এবং উজ্জ্বল দেখায়। তবে এই উজ্জ্বল আলোর কারণে কোয়াড্রান্টিড উল্কাবৃষ্টির দৃশ্য ম্লান হয়ে যেতে পারে। উল্কাবৃষ্টির সর্বোচ্চ সময় শনিবার বিকেল ৪টা থেকে ৭টা (ইটি) হলেও, রবিববার মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত এটি দেখার সেরা সময় হতে পারে বলে জানিয়েছে আমেরিকান মেটিওর সোসাইটি।
নাসার আর্টেমিস মিশনের বার্তা এই সুপারমুন দেখার সময় নাসার আসন্ন ‘আর্টেমিস ২’ মিশনের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আগামী ফেব্রুয়ারিতেই চারজন নভোচারী নিয়ে চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করতে যাচ্ছে আর্টেমিস ২। দীর্ঘ ৫০ বছরেরও বেশি সময় পর মানুষ আবারও চাঁদের এত কাছে যাচ্ছে।
নাসার বিজ্ঞানী নোয়া পেট্রো মহাকাশপ্রেমীদের পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, “বাইরে যান, আকাশের দিকে তাকান এবং এই সুপারমুন দেখে বিস্মিত হন।”
বিভি/এজেড




মন্তব্য করুন: