• বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১ | ১৩ কার্তিক ১৪২৮

BVNEWS24 || বিভিনিউজ২৪

ফেসবুকের কালো তালিকায় যেসব বাংলাদেশির নাম

প্রকাশিত: ১৮:২১, ১৩ অক্টোবর ২০২১

আপডেট: ১৮:২৫, ১৩ অক্টোবর ২০২১

ফন্ট সাইজ
ফেসবুকের কালো তালিকায় যেসব বাংলাদেশির নাম

দীর্ঘদিনের অভিযোগকে খন্ডন করতে চলেছে ফেসবুক। প্রায়ই শোনা যায় ফেসবুক ব্যবহার করে সহিংস বাণী ছড়ানো থেকে শুরু করে বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীতে নতুন সদস্য সংগ্রহে ফেসবুককে ব্যবহার করা হয়। এবার এই অভিযোগ সমাধানে কাজ করছে সামাজিক মাধ্যমটি।

‘বিপজ্জনক ব্যক্তি ও সংগঠনের’ তালিকা করেছে ফেসবুক। এসব নাম বা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে কিছু পোস্ট করলে ফেসবুক স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা মুছে ফেলবে। ফলে বিভ্রান্তি এড়ানো যাবে সহজেই। 

নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও তালিকাটি প্রকাশে বরাবরই অনীহা প্রকাশ করে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। বলেছে, এতে তাদের কর্মীরা বিপদে পড়তে পারেন। আবার তালিকাভুক্তরা তখন বিকল্প পথে যোগাযোগের চেষ্টা শুরু করবেন। তবে ফেসবুকেরই স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ওভারসাইট বোর্ড’ জনস্বার্থের উল্লেখ করে একাধিকবার সে তালিকা প্রকাশের আহ্বান জানায়। কারণ, ব্যবহারকারীরা যদি না জানেন যে কাদের নিয়ে ফেসবুকে লেখা যাবে না, তবে লেখার আগে তাঁরা বুঝবেন কী করে?

এই তালিকা প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্টারসেপ্ট। তালিকায় প্রায় চার হাজার রাজনীতিবিদ, লেখক, দাতব্য সংস্থা ও হাসপাতালের নাম পাওয়া গেছে। প্রকাশিত ঐ তালিকায় বাংলাদেশের নামও রয়েছে। সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত ‘আল মুরসালাত মিডিয়া’ (মিডিয়া উইং বুঝানো হয়েছে) পরিচালিত হয় দক্ষিণ এশিয়া, ভারত ও বাংলাদেশে। সেটি ইসলামিক স্টেটের সংগে সম্পৃক্ত। আবার হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশের উল্লেখও পাওয়া যায়, যা আল-কায়েদা সেন্ট্রাল কমান্ডের সংগে যুক্ত। পাশাপাশি ‘ইসলামিক স্টেট বাংলাদেশ’ ও ‘জামাত-উল-মুজাহিদীন বাংলাদেশ’-এর উল্লেখও আছে। জেমা ইসলামিয়া, জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) এবং আল-কায়েদা সেন্ট্রাল কমান্ডের মিডিয়া উইং হিসেবে ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে পরিচালিত ‘সাহাম আল হিন্দ মিডিয়া’র উল্লেখও পাওয়া যায়। তাছাড়া জেএমবি'র ‘তারিকুল ইসলাম’ উল্লেখ করে কোনো পোস্টও দেওয়া যাবে না ফেসবুকে।

ব্রায়ান ফিশম্যান (ফেসবুকের সন্ত্রাস দমন এবং বিপজ্জনক সংগঠনবিষয়ক নীতিমালা পরিচালক) টুইটবার্তায় বলেন, ইন্টারসেপ্টের প্রাকাশিত তালিকা সম্পূর্ণ নয়। এটি প্রতিনিয়ত হালনাগাদ হচ্ছে।

ইন্টারসেপ বলছে, তালিকায় সন্ত্রাসবাদের জন্য নাম বয়েছে ৫৩ দশমিক ৭ শতাংশের, ২৩ দশমিক ৩ শতাংশের নাম যুক্ত হয়েছে সশস্ত্র সামাজিক আন্দোলনের সংগে সম্পৃক্ততায়, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়ানোর দায়ে নাম জড়িয়েছে ১৭ শতাংশের এবং ৪ দশমিক ৯ শতাংশ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছেন।

তালিকাটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
 

বিভি/এসআই/রিসি

মন্তব্য করুন: