লেবাননে হিজবুল্লাহ’র সব ধরণের সশস্ত্র কার্যক্রম নিষিদ্ধ
আলজাজিরা
লেবাননে হিজবুল্লাহ’র সব ধরনের সশস্ত্র কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বলে দেশটির সরকারপ্রধান। সোমবার (২ মার্চ) হিজবুল্লাহ ইসরাইল অভিমুখে রকেট ছোড়ার পর লেবাননে পাল্টা হামলার শিকার হয়। এতে অন্তত ৩১ জন নিহত হন। এরপরই হিজবুল্লাহ’র বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নেন লেবানন সরকার প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম। সোমবার (২ মার্চ) আলজাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, লেবানন রাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ ছাড়াই হিজবুল্লাহ এ হামলা চালায়, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা এড়াতে সরকারের ঘোষিত নীতির সরাসরি লঙ্ঘন। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম উভয়েই হিজবুল্লাহ’র এ কর্মকাণ্ডকে দেশের সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী বলে অভিহিত করেছেন।
তারা সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ লেবাননকে বৃহত্তর যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলতে পারে এবং ইসরাইলকে পাল্টা হামলার বৈধ অজুহাত দিতে পারে। তবে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবে কীভাবে কার্যকর করা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কারণ সাম্প্রতিক সংঘাতের পরও হিজবুল্লাহ সশস্ত্র অবস্থায় রয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। মূলত ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে এ হামলা পরিচালিত হয়। এতে খামেনিসহ ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ, খামেনির নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি, সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল রাহিম মুসাভি এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হন। পাশাপাশি মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যাও বাড়ছে, ভূপাতিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানও।
বিভি/পিএইচ



মন্তব্য করুন: