অবশেষে বন্দী ফিলিস্তিনি নারীকে মুক্তি দিতে বাধ্য হলো যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গাজার পক্ষে বিক্ষোভ মিছিলের সময় আটক হওয়া ফিলিস্তিনি নারী লেকা করদিয়া এক বছর পর মুক্তি পেয়েছেন। তাকে টেক্সাসে অভিবাসন হেফাজতে রাখা হয়েছিল। আইনজীবীরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর: বিবিসি
গত ২০২৪ সালের এপ্রিলে ক্যাম্পাসের বাইরে আটক হওয়া শতাধিক বিক্ষোভকারীর মধ্যে ছিলেন লেকা। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে ২০২৫ সালের মার্চে ইমিগ্রেশন চেক-ইনের সময় তাকে ফের গ্রেফতার করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) জানায়, স্টুডেন্ট ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন লেকা। সংস্থাটির দাবি, ২০২২ সালে ‘ক্লাসে অনুপস্থিতির কারণে’ তার ভিসা বাতিল করা হয়েছিল।
এদিকে তিনি বিদেশে যে অর্থ পাঠিয়েছিলেন তা নিয়েও ফেডারেল কর্মকর্তারা তদন্ত শুরু করেন। করদিয়া দাবি করেন, সেই অর্থ তার পরিবারের জন্য পাঠানো হয়েছিল। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়নি।
সোমবার (২৩ মার্চ) ডালাসের নিকটবর্তী একটি ডিটেনশন সেন্টার থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমি কী বলব বুঝতে পারছি না। আমি মুক্ত! আমি মুক্ত! অবশেষে, এক বছর পর।’
ডিএইচএস অভিযোগ করেছে, করদিয়া যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধী রাষ্ট্রগুলোতে বসবাসরত ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। তবে তার এক চাচাতো ভাই সিবিএসকে জানান, তিনি বিদেশে শুধু আত্মীয়স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠিয়েছিলেন।
সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানায়, এক অভিবাসন বিচারক করদিয়ার বক্তব্যের পক্ষে ‘শক্তিশালী প্রমাণ’ পেয়েছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) তার তৃতীয় জামিন শুনানিতে ওই বিচারক সরকারের যুক্তিকে ‘অসৎ’ বলে আখ্যা দিয়ে ১ লাখ ডলার (প্রায় ৭৫ হাজার পাউন্ড) জামিনে তাকে মুক্তির নির্দেশ দেন।
বিভি/এজেড



মন্তব্য করুন: