• NEWS PORTAL

  • মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১৪ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগপত্র ২৪ সেপ্টেম্বর, যোগদান কবে?

প্রকাশিত: ২১:১১, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
১৪ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগপত্র ২৪ সেপ্টেম্বর, যোগদান কবে?

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীর নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হবে আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর)। এরপর ১ অক্টোবর নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন তারা। ৪ অক্টোবর থেকে নতুন শিক্ষকদের পদায়ন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। এ বিষয়ে জেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নরসিংদী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিরঞ্জন কুমার রায় দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিয়োগপত্র ছাড়ার নির্দেশনা পাওয়া গেছে। এ নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে বিভাগভিত্তিক সভাও চলছে। ঢাকা বিভাগের সভা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং অন্যান্য বিভাগের সভা চলমান।

নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীবও ২৪ সেপ্টেম্বর নিয়োগপত্র দেওয়ার নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নিয়োগপত্র তৈরির কাজ চলছে। প্রস্তুত হলেই তা প্রার্থীদের দেওয়া হবে।

নিয়োগপত্র সাধারণত ডাকযোগে রেজিস্ট্রি করে প্রার্থীদের ঠিকানায় পাঠানো হয় বলেও জানান তিনি। চট্টগ্রামের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফিরোজ আহাম্মদও বৃহস্পতিবার নিয়োগপত্র দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিয়োগপত্র পাওয়ার পর সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থী আগামী ১ অক্টোবর নিজ নিজ জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন। এরপর ৪ অক্টোবর থেকে তাদের পদায়ন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

নতুন শিক্ষকদের পেশাগত প্রশিক্ষণের প্রস্তুতিও চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নিয়োগের পর তাদের দুই মাসের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তবে প্রশিক্ষণ শুরুর নির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী বলেন, পদায়নের পরপরই নতুন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শুরু করার চেষ্টা চলছে। চাকরির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তাদের দুই মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে তারা বিদ্যালয়ে পাঠদান করতে পারবেন।

তবে পদায়নের দিন থেকেই প্রশিক্ষণ শুরু করা হবে কি না, তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। প্রশিক্ষণের সময়সূচি চূড়ান্ত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহ্‌মদ জানান, নতুন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণসংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধন করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে একসঙ্গে ১৪ হাজার ৩৮৪ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিতে ডাবল শিফটে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তবে প্রশিক্ষণ আবাসিক নাকি অনাবাসিক হবে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ হতে না পারলে নিয়োগ বাতিল হবে কি না, সে বিষয়েও এখনো স্পষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। নেপ মহাপরিচালকের মতে, প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ না হলে নিয়োগ বাতিল হওয়ার কথা নয়। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নীতিমালায় সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত রয়েছে কি না, তা তিনি নিশ্চিত করেননি।

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন: