• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইনে পণ্য কিনে ঠকেছেন? যে ব্যবস্থা নেবেন

প্রকাশিত: ২০:৫৬, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
অনলাইনে পণ্য কিনে ঠকেছেন? যে ব্যবস্থা নেবেন

ব্যস্ততা, সময়ের স্বল্পতা, পরবিহণ সমস্যা অথবা রাস্তার জ্যাম এড়াতে বর্তমান সময়ে অনেকেই অনলাইনে খাবার-পোশাকসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটায় অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন। অনলাইনে অর্ডার করলে সুবিধা যেমন আছে-কিছু অসুবিধাও রয়েছে। 

এই যেমন- আপনি মার্কেটে গেলে একাধিক পণ্য দেখে নিজের পছন্দ অনুসারে সরাসরি কিনে নিতে পারেন। এতে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। কিন্তু আপনি অনলাইনে একাধিক পণ্য দেখে নির্দিষ্ট একটা অর্ডার করলেও অনেক সময় পছন্দের সেই জিনিসটা হাতে পান না। এমন সমস্যায় পড়লে আপনি কী করবেন?

আপনি যদি অনলাইনে পণ্য কিনে প্রতারিত হন তাহলে দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে ব্যবস্থা নিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ চেয়েও দেওয়ানি আদালতে এবং প্রতারণার অভিযোগে ফৌজদারি আদালতে মামলা করতে পারবেন। এ ছাড়া ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে অভিযোগ করা যাবে। সেক্ষেত্রে আপনি যদি অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেন তাহলে ওই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হবে। আপনি সেই জরিমানার ২৫ শতাংশ অর্থ অধিদফতর থেকে ফেরত পাবেন।

দেওয়ানি বা ফৌজদারি আদালতে মামলা
প্রথমেই অনলাইনে প্রতারণার শিকার হলে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সাইট এবং কী ধরনের প্রতারণার শিকার হলেন তা সুনির্দিষ্টভাবে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে। পরবর্তী সময়ে পণ্য কেনা বা হাতে পাওয়ার পর সেটার রশিদ বা ক্যাশমেমো দিয়ে জেলা জজ আদালতে অথবা মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে মামলা করতে পারবেন। আদালত আপনার অভিযোগ যাচাই-বাচাই করবেন। এবং  অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ দিবেন। যদি আদালতে আপনার অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয় তাহলে আদালত অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ড দিতে পারেন অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে ।

ভোক্তা অধিকারে অভিযোগ
অনলাইনে পণ্য ক্রয়ের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করতে হবে। অনলাইনে প্রতারিত হওয়ার পর ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতরে অভিযোগ করাটা সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ। সেক্ষেত্রে আপনি ভোক্তা অধিকারের কার্যালয়ে গিয়ে অথবা ওয়েবসাইটে দেওয়া মেইলের মাধ্যমে অভিযোগ করতে পারবেন। সেই অভিযোগের পরে ভোক্তা অধিকার অধিদফতর অনলাইন প্রতিষ্ঠান ও অভিযোগকারীর কাছে পোস্টাল রশিদের মাধ্যমে চিঠি পাঠাবেন।

দুই পক্ষ থেকে শুনানি শেষে অধিদফতর ঘটনার সত্যতার প্রমাণ পেলে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা প্রদানের আদেশ দেবে। এ ক্ষেত্রে জরিমানা হিসেবে যে টাকা আদায় করা হবে তার ২৫ শতাংশ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তাকে দেওয়া হবে।

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত