• NEWS PORTAL

  • মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

দিতে হবে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব, অন্যথায় ২-৭ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত: ২২:২৯, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ফন্ট সাইজ
দিতে হবে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব, অন্যথায় ২-৭ বছরের কারাদণ্ড

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল প্রার্থীকে সরকারি গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন দাখিলের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই আইনি বাধ্যবাধকতা পালনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর সর্বোচ্চ সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে। 

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী—বিজয়ী, পরাজিত এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সকল প্রার্থীকে বাধ্যতামূলকভাবে ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হবে। এমনকি নির্বাচনের সময় কোনো প্রকার ব্যয় না করলেও নির্ধারিত ফরমে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টকে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নিকট এফিডেভিটসহ নির্ধারিত ফরমে এই হিসাব জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে এর একটি অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়েও পাঠাতে হবে। যদি কোনো প্রার্থী নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হন, তবে তিনি শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবেন। এ ক্ষেত্রে দোষী ব্যক্তির ন্যূনতম ২ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

জনসাধারণের অবগতির জন্য ইসি জানায়, রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে এই হিসাবের নথিপত্র এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবে। যে কেউ নির্দিষ্ট ফি প্রদান সাপেক্ষে এই নথিগুলো পরিদর্শন বা এর অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়া কোনো প্রার্থী বিধান লঙ্ঘন করলে রিটার্নিং অফিসারকে সরাসরি মামলা দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যার জন্য কমিশনের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হবে না।

বিভি/এসজি

মন্তব্য করুন: