গণভোটের পক্ষে জনমত গড়তে সাংবাদিকদের সাহায্য চাইলেন তথ্য সচিব
গুজব ও অপতথ্য রোধে গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা। পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে গুজব রোধে সংবাদ কর্মীদের সহায়তা চেয়েছেন তিনি।
শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত নির্বাচন সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ- পিআইবি'র সেমিনার কক্ষে শুরু হওয়া দুই দিনের নির্বাচন বিষয়ক সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন তিনি।
গণভোট নিয়ে সারাদেশের ভোটারদের সচেতন করতে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে সহায়তা চান তথ্য ও সম্প্রচার সচিব।
গণমাধ্যম কর্মীদের 'সহযোদ্ধা' সম্ভাষণ করে মাহবুবা ফারজানা বলেন, আপনাদের ক্ষুরধার লেখনী এখন জরুরী। গুজব ও অপতথ্য রোধে আমাদের সহায়তা করবেন। আজ শক্ত হাতগুলো আমাদের নরম হাতের সঙ্গে যুক্ত হোক। এক সাথে হাতে হাত ধরে চললে দেশটা সুষ্ঠু পরিণিতির দিকে যাবো। সবাই মিলে গণভোট নিয়ে ভোটারদের সচেতন করবো।
সচিব জানান, প্রান্তিক ৪০ শতাংশ মানুষ গণভোট কি জানে না। তাই মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করে ৬৪ জেলায় ৪৯৫ উপজেলায় ভোটালাপ উঠান বৈঠক ও টেনমিনিট ব্রিফ করছে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। মোবাইলফোন ব্যবহার করে গণভোটের নিয়ম শেখাচ্ছেন তথ্যআপা।
ভোটে তরুণ, ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী ও নারীদের ভোটে অংশগ্রহণে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন ফারজানা। তিনি জানালেন, ভোট থেকে বিরত থাকা চাঁদপরের ১২ হাজার নারীকে ভোটে উদ্ভূত করার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।
পিআইবি পরিচালক কাজী মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ারের সভাপতিত্বে যুগ্মসচিব রিয়াসাতুল ওয়াসিফ, জ্যেষ্ঠ প্রশিক্ষক গোলাম মুর্শেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাহমুদ সোহেল বলেন, ডিআরইউ সদস্যরা মাঠ পর্যায়ে রিপোর্ট করেন। তাই তাদের নির্বাচন, এআই, ফ্যাক্ট চেক নিয়ে বেশি বেশি প্রশিক্ষণ দেয়া দরকার। আমি আশা করবো পিআইবি ডিআরইউকে সঙ্গী করে একসঙ্গে এগিয়ে যাবে।
কর্মশালায় বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইনে কর্মরত ৫০ জন সাংবাদিক প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। প্রথম দিনের প্রশিক্ষক নিউজ নেটওয়ার্ক এর মুখ্য প্রশিক্ষক জিয়াউর রহমান।
বিভি/কেএস/এজেড




মন্তব্য করুন: