• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

শিশুদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এআই: ডা. জুবাইদা রহমান

প্রকাশিত: ১০:৩৩, ২৫ মার্চ ২০২৬

আপডেট: ১০:৩৩, ২৫ মার্চ ২০২৬

ফন্ট সাইজ
শিশুদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এআই: ডা. জুবাইদা রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর দায়িত্বশীল ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনা সম্ভব। তিনি বলেন, এ প্রযুক্তি শিশুদের শিক্ষা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ডা. জুবাইদা রহমান উন্নত বিশ্বের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে এ ক্ষেত্রে সহায়তা করার মাধ্যমে শিশুদের জন্য উদ্ভাবনী শিক্ষাসেবা পৌঁছে দিতে সহযোগিতা করতে।

ডা. জুবাইদা রহমান এই বক্তব্য রাখেন মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে এবং হোয়াইট হাউসের উদ্যোগে আয়োজিত ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার: গ্লোবাল কলিউশন সামিট-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।

তিনি আরও জানান, সরকার ইতিমধ্যেই বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসেবা শিশুদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করছে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার মান বৃদ্ধি এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রযুক্তি ও এআই-এর সুষ্ঠু ব্যবহার শিশুদের সামর্থ্য বিকাশে নতুন দ্বার খুলবে এবং বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ক্রান্তিকালীন পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, ঐতিহাসিক ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট-এ অংশ নেওয়া তার জন্য অত্যন্ত সম্মানের বিষয়। তিনি বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিশুদের সম্ভাবনা এবং প্রতিটি জাতির ভবিষ্যতের অঙ্গীকারের মতো মহৎ উদ্দেশ্যে আমাদের একত্রিত করার জন্য আমি ফার্স্ট লেডিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”

ডা. জুবাইদা জানান, “আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি দেশের ভবিষ্যৎ লেখা হয় সেই দেশের শিশুদের জীবনের পাতায়। আজ আমরা তাদের যে শিক্ষা দিচ্ছি এবং যে মূল্যবোধে তাদের বড় করছি, তার মাধ্যমে তারা আগামীদিনের জাতি গঠন করবে।”

তিনি আরও বলেন, একজন চিকিৎসক হিসেবে তিনি প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি শুধু চিকিৎসার ওপর নয়, বরং জীবনের প্রাথমিক পর্যায় থেকে রোগ প্রতিরোধের ওপরও গুরুত্ব দেন।

ডা. জুবাইদা বলেন, শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করতে প্রযুক্তি, বিশেষ করে এড-টেক (Ed-tech), কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে। একইসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা এই প্রযুক্তিগুলোর নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে শিশুরা একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী উত্তরাধিকার রয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মানবাধিকার রক্ষা করেছেন এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। ডা. জুবাইদা বলেন, “আমাদের সরকার নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন: