• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধার নিয়ে যা জানালো আইএসপিআর

প্রকাশিত: ১৯:১৫, ২২ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ১৯:১৯, ২২ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধার নিয়ে যা জানালো আইএসপিআর

ছবি: ফাইল ফটো

রাঙামাটির সাজেকে আটকে পড়া প্রায় তিন হাজার পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সময় গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে গঙ্গারাম বাজার এলাকায় ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। 

আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অবরোধের কারণে সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পর্যটকেরা আটকা পড়েন। তাদের নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়।

পর্যটকদের নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার সময় অবরোধকারীরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন উল্লেখ করে আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ পরিস্থিতিতে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করে। পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলাকালে আজ বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টায় গঙ্গারাম বাজার এলাকায় অবরোধকারীরা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে পর্যটকবাহী যানবাহনের চলাচল বন্ধ করে দেন। এ সময় সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল দল পর্যটকদের নিরাপদে যাতায়াত নিশ্চিত করতে অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ গ্রহণ করে।

আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বেলা ১১টায় ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে আনুমানিক ৩০-৪০টি গুলি করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। এ সময় সেনাবাহিনীর টহল দল আত্মরক্ষা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাল্টা গুলি করলে সশস্ত্র ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অবরুদ্ধ পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ইউপিডিএফ কর্তৃক উক্ত অবরোধ ও সহিংসতার ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত বলে জানা যায়। স্থানীয় জনগণকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অবরোধে অংশগ্রহণে বাধ্য করা এবং তাদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক হিসেবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়েছে, মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর চলমান অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে অনেকটা কোণঠাসা হয়ে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের একটি অংশ পর্যটন এলাকায় অবস্থান নিয়েছে বলে জানা যায়।

এর আগে বুধবার সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ঘোষণা দেয়। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে একই দিন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন।

বিভি/এমআর

মন্তব্য করুন: