ডিসেম্বরের মধ্যেই রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন শুরুর আশা
ছবি: বাসস
ডিসেম্বরের মধ্যেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। প্রাথমিক পর্যায়ে কেন্দ্রটি থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। পরে ধাপে ধাপে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়িয়ে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে। তবে, উৎপাদন শুরুর আগে কেন্দ্রটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম শুরুর আগে নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে বিভিন্ন পর্যায়ে বারবার পরীক্ষা করা হচ্ছে। এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কেন্দ্রটির নিরাপদ পরিচালনা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন শুরু হলে দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এটি। প্রাথমিকভাবে সীমিত পরিসরে উৎপাদন শুরু করে পর্যায়ক্রমে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত এ প্রকল্পে দুটি ইউনিট রয়েছে। প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। দুটি ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে কেন্দ্রটি থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপদ পরিচালনার জন্য নির্ধারিত পরীক্ষা, প্রযুক্তিগত যাচাই এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত সব শর্ত পূরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই উৎপাদন শুরুর সময়সূচির পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও প্রকল্পটির অন্যতম প্রধান বিবেচ্য বিষয়।
বিভি/পিএইচ













মন্তব্য করুন: