স্বাস্থ্য খাতে ধ্বংসস্তূপ থেকে উত্তরণের চেষ্টা চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিদায়ী সরকারের সময়ে লুটপাট ও চরম অব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্য খাত ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিলো বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, বিদ্যমান সংকট কাটিয়ে স্বাস্থ্য খাতকে আবার নিয়মের মধ্যে ফিরিয়ে এনে সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের (শজিমেক) অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করতে ঢাকায় টারশিয়ারি পর্যায়ের পাঁচটি হাসপাতালে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। সেবাগ্রহীতাদের খরচের বিষয়টি আগামী সপ্তাহের বৈঠকে চূড়ান্ত হলে এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। সফল হলে পরবর্তীতে ঢাকার বাইরেও এ মডেল ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
হাসপাতালের আইসিইউ সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, শিশুদের চিকিৎসার মান বাড়াতে সারাদেশে নতুন করে আরও প্রায় ২০টি আইসিইউ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে বগুড়াও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে লিখিত আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সব সমস্যার সমাধান করা হবে।
চিকিৎসক সংকট নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি নতুন যোগদান করা ৫০০ চিকিৎসকের মধ্যে গতকালই ১৭ জন চিকিৎসককে বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলা ও হাসপাতালে বণ্টন করা হয়েছে। এছাড়া আরও পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দেশের চিকিৎসক সংকট অনেকটাই দূর হবে এবং এ নিয়োগ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চলবে।
হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (ইটিপি) প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বড় বড় হাসপাতালগুলোতে কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার বিষয়ে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৫টি স্থানে কাজ চলমান রয়েছে এবং বগুড়াসহ যেসকল হাসপাতালে এখনো ব্যবস্থা নেই, সেগুলোতে দ্রুতই আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থাপন করা হবে।
বিভি/এসজি













মন্তব্য করুন: