সামিটের এলএনজি টার্মিনালে সরবরাহ স্বাভাবিক, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো গ্যাস
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণকাজ শেষে পুনরায় গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১টা থেকে টার্মিনালটিতে এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। ফলে দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকেই জাতীয় গ্যাস গ্রিডে আগের মতো গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে, মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালের নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর শনিবার দুপুর ১টা থেকে পুনরায় রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম শুরু হয়। এর মাধ্যমে টার্মিনালটি থেকে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে।
এর আগে রক্ষণাবেক্ষণকাজের কারণে সামিট এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এ সময় দেশের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় এলএনজি টার্মিনালটির সরবরাহ কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল।
বর্তমানে মহেশখালীতে থাকা দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকেই জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে এলএনজি থেকে গ্যাসে রূপান্তর করে জাতীয় সঞ্চালন ব্যবস্থায় যুক্ত করার কার্যক্রম আগের অবস্থায় ফিরেছে।
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির পর বিশেষায়িত টার্মিনালে তা পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করা হয়। এ প্রক্রিয়াকে রিগ্যাসিফিকেশন বলা হয়। পরে সেই গ্যাস জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়।
দেশের শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, আবাসিক ও বাণিজ্যিক খাতে গ্যাসের চাহিদা পূরণে এলএনজি টার্মিনালগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ কারণে টার্মিনালগুলোর কার্যক্রম সচল থাকা জাতীয় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকেই আগের মতো গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। এ সময় গ্রাহকদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
বিভি/পিএইচ













মন্তব্য করুন: