সালাহউদ্দিন আহমেদকে মন্ত্রী পেয়ে উচ্ছ্বসিত কক্সবাজারবাসী
সাগরের গর্জন আর লবণাক্ত বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে নতুন আশার বার্তা। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর জুড়ে এখন একটাই আলোচনা-সালাউদ্দিন আহমেদকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পেয়েছেন কক্সবাজারবাসী । ১৯৭১ সালের পর বহু সরকার এলেও বদলায়নি কাঙ্ক্ষিত জীবনমান। দৃশ্যমান কিছু উন্নয়ন হলেও সড়ক-মহাসড়ক ও অবকাঠামোতে রয়ে গেছে সীমাবদ্ধতা। অথচ লবণ, শুঁটকি, চিংড়ি, পান-সুপারিসহ নানা পণ্য আর পর্যটন খাত থেকে প্রতিবছর সরকারের রাজস্ব আসে শত শত কোটি টাকা।
দীর্ঘতম সৈকত ঘিরে গড়ে উঠেছে ছয় হাজারের বেশি হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউস। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সম্ভাবনা থাকলেও সমন্বিত পরিকল্পনা ও সুশাসনের অভাবে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি।
মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এ জেলাকে ঘিরে মাদক পাচারের অভিযোগও দীর্ঘদিনের। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আইনের শাসন ও মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে উল্লেখ করে সচেতন মহলের প্রত্যাশা—নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর পদক্ষেপে জেলায় প্রতিষ্ঠা পাবে আইনের শাসন।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনে খুবই আশাবাদি কক্সবাজারের মানুষ। ভোটের আগে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি ছিল। স্থানীয়দের বিশ্বাস, তা বাস্তবায়িত হলে বদলে যাবে যোগাযোগ ও অর্থনীতির চিত্র।
৯টি উপজেলা ও ৪টি সংসদীয় আসনের এ জেলায় দলীয় সরকারের সমন্বয়ে উন্নয়নে আর বাধা থাকবে না উচ্ছ্বাসের সঙ্গে প্রত্যাশা প্রতিশ্রুতি পূরণে দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখবে সৈকত নগরী এমনটাই প্রত্যাশা সবার।
বিভি/এজেড



মন্তব্য করুন: