• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি তেল সংকটের শঙ্কা, চট্টগ্রামের পাম্পগুলোতে গ্রাহকদের ভিড়

প্রকাশিত: ১২:৫১, ৭ মার্চ ২০২৬

ফন্ট সাইজ
জ্বালানি তেল সংকটের শঙ্কা, চট্টগ্রামের পাম্পগুলোতে গ্রাহকদের ভিড়

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও সংকটের আশঙ্কায় চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনগুলোতে বেড়েছে গ্রাহকদের ভিড়। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন তারা। 

পাম্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত দুই দিন ধরে স্বাভাবিকের তুলনায় গ্রাহকদের মধ্যে জ্বালানি তেলের চাহিদা কয়েকগুণ বেড়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) থেকে এ চাপ আরো বেড়েছে। 

তারা জানান, যেসব গ্রাহক আগে ৫০০ টাকার জ্বালানি নিতো, তারা এখন ২ থেকে ৩ গুণ বেশি পরিমাণ তেল দাবি করছেন। কেউবা চাচ্ছেন সম্পূর্ণ ট্যাংক ফুল করতে। তবে কিছু কিছু স্টেশনে তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় গ্রাহকরা ঘুরছেন এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে।

পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানান, শুক্র ও শনিবার ডিপো থেকে পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ থাকে। তারপরও পাম্পগুলোতে যতোক্ষণ জ্বালানি তেল থাকে তা সরবরাহ হয়। এদিকে শনিবার (৭ মার্চ) সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন পেট্রোলপাম্পে অতিরিক্ত চাহিদার কারণে প্রায় পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেল শেষ হয়ে গেছে। যার ফলে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়েও অনেককে ফিরে যেতে হয়েছে তেল না নিয়েই। 

সরকারি তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে ডিজেল মজুদ রয়েছে ৯ দিনের, অকটেন ১৫, পেট্রোল ৮, ফার্নেস অয়েল ৬০, জেট ফুয়েল ৩৬ ও মেরিন ফুয়েল ৪২ দিনের।

এদিকে, পরিস্থিতি সামলাতে তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে বিপিসি। সংস্থাটি বলছে, জ্বালানি তেল নিয়ে একাধিক জাহাজ বন্দরে ভিড়েছে। আরও জাহাজ আসছে। তাই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এছাড়া জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মোটরসাইকেল দৈনিক ট্রিপ প্রতি দুই লিটার অকটেন/পেট্রোল, প্রাইভেটকার ১০ লিটার, মাইক্রোবাস/জীপ ২০ থেকে ২৫ লিটার অকটেন/পেট্রোল, পিকআপ এবং লোকাল বাস ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল, দূরপাল্লার বাস/ট্রাক/কাভার্ডভ্যান/কন্টেইনার ট্রাক ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি তেল নিতে পারবে। 

বিভি/এসজি

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত