দুই মন্ত্রীর আশ্বাস, ডিপো থেকে তেল উত্তোলনের সিদ্ধান্ত সিলেটের ব্যবসায়ীদের
জ্বালানি তেল বিপণন খাতে সৃষ্ট সংকট নিরসন এবং পাম্প সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন দাবিতে, ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন সিলেটের ব্যবসায়ীরা। বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে সিলেট নগরের দক্ষিণ সুরমার পদ্মা পেট্রোলিয়াম ডিপোতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।
সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াশদ আজিম হক আদনান বলেন, "সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রী ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর আশ্বাসের প্রেক্ষিতে আমরা ডিপো থেকে তেল উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের দাবি ছিল বিপিসি কর্তৃক যে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে তা পূর্ণরূপে কার্যকর করা। আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ এই সীমা ২৫% থেকে ১৫% পর্যন্ত নামানো হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "আজ থেকে তেল উত্তোলন করা হলেও সব পাম্পই তেল পাবে না। এজন্য হয়তো অনেক পাম্প বন্ধ থাকতে পারে। বিপিসির সীমা বাড়ানো হলে এই সমস্যার সমাধান হবে।"
এসময় উপস্থিত ছিলেন এসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রিয়াশদ আজিম হক আদনান, সিনিয়র সহ সভাপতি সিরাজুল ইসলাম আলমগীর, সহ সভাপতি ফয়জুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন আহমদ, কোষাধ্যক্ষ মো: রিয়াদ উদ্দিন, সহ-কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: এনামুল হক রুবেল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আব্দুল মোমিন, প্রচার সম্পাদক মুশফিকুর রহমান চৌধুরী সাহেদ, কার্যকরী সদস্য জুবের আহমদ চৌধুরী খোকন, লোকমান আহমদ মাছুম, রফিকুল ইসলাম, সিলেট বিভাগীয় ট্যাঙ্কার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মনির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল জলিল এবং কোষাধ্যক্ষ ইকবাল হোসেন।
এর আগে, গত সোমবার রাতে নগরীর চৌকিদেখী এলাকায় একটি পেট্রোল পাম্পে হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর পাম্প মালিক সমিতি জ্বালানি তেল বিপণন খাতে সৃষ্ট সংকট নিরসন এবং পাম্প সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন দাবিতে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধসহ পরদিন মঙ্গলবার দুপুর দুইটা পর্যন্ত প্রতিকী ধর্মঘটের ডাক দেয়।
এদিন দুপুর দুইটায় ধর্মঘট শেষ হলেও ডিপো থেকে তেল উত্তোলনের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন ব্যবসায়ীরা।
বিভি/পিএইচ



মন্তব্য করুন: