সৌদির সাথে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঈদের নামাজ আদায়
সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে দেশের বেশকিছু জেলার কিছু কিছু এলাকায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাইবান্ধা, সাতক্ষীরা, শরীয়তপুর, চট্টগ্রাম, ভোলা, চাঁদপুর ও পটুয়াখালী।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনােদপুর ইউনিয়নের রাধানগর ও ৭৬ বিঘিসহ শিবগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি গ্রামের কিছু মানুষ সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করেছেন। শুক্রবার সকাল ৮টায় সময় ৭৬ বিঘি আম বাগানে ঈদুল ফিতের নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা ইউসুফ আলী। বিভিন্ন এলাকার ১০০-২০০ জন নারী-পুরুষ ঈদ জামায়াতে অংশগ্রহণ করেন।
শরীয়তপুরে জেলার অন্তত ৫০টি গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এ ঈদ উদযাপনে অংশ নিয়েছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর দরবার শরীফে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে পৃথক মাঠে আরও একটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামাতে ইমামতি করেন শাহ সুফি সৈয়দ বেলাল নূরী আল সুরেশ্বরী ও মাওলানা মো. জুলহাস উদ্দিন।
সাতক্ষীরার অন্তত ১৫ টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন হচ্ছে। শুক্রবার (২০মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভাদড়া বাউখোলা বায়তুল আমান জামে মসজিদে আহলে হাদিসের একাংশের উদ্যোগে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নামাজের জামাতে ইমামতি করেন, মাওলানা মোঃ মোহাব্বত আলী। একইভাবে জেলার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী এবং তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নেও পৃথক দুটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে কয়েকটি গ্রামের মুসল্লিরা। আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে জেলার সহিহ্ হাদিস সম্প্রদায়ের মুসল্লিরা ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামের মধ্যপাড়ার নতুন জামে মসজিদের ভেতরে এ ঈদের নামাজ আদায় করেন। ঈদের নামাজে ইমামতি ও খুতবা পাঠ করেন আমিনুল ইসলাম। ঈদের জামাতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মুসল্লিরা এতে অংশ নেন।
এছাড়াও চাঁদপুর, পটুয়াখালী, ভোলা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলার কিছু এলাকায় সকালে ঈদের নামাজ জামাতের সাথে আদায় করা হয়।
বিভি/এজেড



মন্তব্য করুন: