• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

ইসিবি চত্বরের সেই নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে ফের হামলা

প্রকাশিত: ১৯:২৭, ৭ নভেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
ইসিবি চত্বরের সেই নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে ফের হামলা

রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় অবস্থিত নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে আবারও হামলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকাল ৪টার দিকে হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ।

ক্যান্টনমেন্ট থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফ জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে ইসিবি চত্বরের ওই প্রকল্পে একজনকে আটকে রাখার খবর দেওয়া হয়। খবর পাওয়ার পরপরই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থলে যান।

নিউগিনি আবাসন প্রকল্পের মালিক মো. নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়াও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্বৃত্তরা আবারও তার প্রকল্পে অনধিকার প্রবেশ করে হামলা চালিয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে নিউগিনি প্রপার্টিজের ওই আবাসন প্রকল্পে হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর করা হয় এবং লুটপাট চালানো হয়। পরে এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ওই হামলার ঘটনায় মূল সমন্বয়ক হিসেবে অভিযুক্ত মো. যুবরাজকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মিরপুরভিত্তিক দুটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের একত্র করে হামলার সমন্বয় করেছিলেন ভাষানটেক থানা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইব্রাহিম ওরফে ‘কিলার’ ইব্রাহিমের অনুসারী যুবরাজ।

তদন্ত কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৬ সেপ্টেম্বরের হামলার আগে ইসিবি চত্বরের একটি রেস্তোরাঁয় বসে ১৩ জন মিলে হামলার পরিকল্পনা করেন। সেখানে মামলার প্রধান আসামি শাহরিয়ার মাহমুদ মো. ইব্রাহিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামলার জন্য এক কোটি টাকার চুক্তি চূড়ান্ত করেন। পরে ইব্রাহিম সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের জড়ো করে হামলার দায়িত্ব দেন যুবরাজকে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আগের হামলায় সম্পৃক্ততা ও সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আটজনই এরইমধ্যে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। এ ছাড়া হামলায় সরাসরি জড়িত আরও নয়জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত