রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে হারলো সিলেট, কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী
অস্থিরতা কাটিয়ে মিরপুরের মাঠে ফিরেছে ক্রিকেট। বিপিএলে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচেই ছড়ালো রোমাঞ্চ। শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা সিলেট টাইটান্সকে ৫ রানে হারিয়ে বিপিএলের কোয়ালিফায়ারে জায়গা করে নিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
১৪৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে সিলেট শেষ ওভার পর্যন্ত লড়াই চালালেও প্রয়োজনীয় রান তুলতে পারেনি। ২০ ওভারে তারা থামে ১৪২ রানে। শেষ ১২ বলে ২৫ রান দরকার থাকলেও মঈন আলীর ঝড়ো ক্যামিও সত্ত্বেও লক্ষ্য ছোঁয়া সম্ভব হয়নি তাদের। এই জয়ে ৯ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষ দুইয়ে থাকার পথ অনেকটাই নিশ্চিত করল নাজমুল শান্তর দল।
রান তাড়া করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই উইকেট হারায় সিলেট। তৌফিক খান তুষার রিপন মণ্ডলের বলে উঁচু শট খেলতে গিয়ে ধরা পড়েন। তিনে নেমে মেহেদী হাসান মিরাজও সুবিধা করতে পারেননি; মাত্র ১ রান করে ফিরেছেন।
এরপর পারভেজ হোসেন ইমন ও মুমিনুল হক মিলে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন। তবে রানরেট তেমন বাড়েনি। ৩০ বলে ৪১ করা ইমনকে এলবিডব্লিউ করে ফেরান মোহাম্মদ রুবেল। এরপর আফিফ হোসেন ও মুমিনুলও দ্রুত ফিরে গেলে চাপ বাড়ে সিলেটের ওপর।
শেষদিকে মঈন আলী ঝড় তোলেন—১২ বলে ২৭ রান করেন, যার মধ্যে ছিল তিনটি ছক্কা। কিন্তু ১৯তম ওভারে রিপন মণ্ডলের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হওয়ায় সিলেটের জয়-সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যায়। রাজশাহীর হয়ে রিপন ৪ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও সাহিবজাদা ফারহানকে হারায় রাজশাহী। বিপর্যয়ের মুখে দলকে টানেন মুশফিকুর রহিম ও নাজমুল শান্ত। ৩২ বলে ৫৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন তারা।
২১ বলে ৩৪ রান করে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে আউট হন শান্ত। মুশফিকও ভালো খেললেও হাফ-সেঞ্চুরি পাননি; ৩০ বলে ৪০ রানে ফেরেন। শেষদিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ১১ বলে ১৬ রানের ক্যামিওতে রাজশাহী ১৪৭ রান তোলে। সিলেটের হয়ে শহিদুল ইসলাম ও নাসুম আহমেদ দুটি করে উইকেট নেন।



মন্তব্য করুন: