আত্মবিশ্বাস পুঁজি করেই ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ
ঐতিহাসিক পোর্ট এলিজাবেথের সেন্ট জর্জেস পার্ক স্টেডিয়াম, দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে পুরোনো ক্রিকেট ভেন্যুগুলোর একটি। এমাঠের বাতাস পেসারদের জন্য আদর্শ মনে করেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। তাই দ্বিতীয় টেস্টের বাংলাদেশ দল নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করবেন কোচ ও অধিনায়ক এমনটাই অনুমান করা যায়। দক্ষিণ আফ্রিকায় ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট হারলেও আত্মবিশ্বাসে ফাটল ধরেনি টাইগার শিবিরে। ডারবান টেস্ট হারলেও শুরুর ৪ দিন খেলা ধরে রেখেছিল বাংলাদেশ দল।
শুক্রবার (৮ এপ্রিল) প্রোটিয়াদের বিপক্ষে দুপুর ২টায় দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচে নামবেন মুমিনুলরা।
এ ম্যাচে একাদশে সাজাতে বেশে বেগ পেতে হচ্ছে সফরকারীদের। একজন ব্যাটসম্যান কম খেলিয়ে বাড়তি একজন বোলার, নাকি ২ পেসার আর ২ স্পিনারের ভাবনা? তবে পোর্ট এলিজাবেথের সেন্ট জর্জেস পার্কে বাতাসের ব্যাপারটিও মাথায় রাখতে হচ্ছে, সেক্ষেত্রে বাড়তি সুইং পাবেন পেসাররা। বাংলাদেশ দল একাদশে একজন ব্যাটসম্যান কম না খেলিয়ে বা ঝুঁকি না নিয়ে কি ডারবানে টেস্টের মতোই ৩ পেসার ১ স্পিনারের পথে হাঁটবে শেষপর্যন্ত?
অধিনায়ক মুমিনুল হক সেটি এখনো পরিষ্কার না করলেও তার কথায় স্পষ্ট, সে পথে হাঁটতে চাইবে না বাংলাদেশ। কারণ, ডারবানের মতো পোর্ট এলিজাবেথেও উইকেট থেকে সাহায্য পাবেন স্পিনাররা। সেক্ষেত্রে চোটে পড়া তাসকিনের জায়গা নিতে পারেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে জুঁটি বেঁধে বল করতে দেখা যেতে পারে তাকে। প্রায় ১১ মাস পর এ ম্যাচে ওপেনার তামিমের ফেরা একপ্রকার নিশ্চিতই। সেক্ষেত্রে অফ ফর্মে থাকা সাদমান ইসলামের কপাল পুড়ছে।
বাতাস আর সুইংয়ের কথা ভেবে পেসার আবু জায়েদ রাহির খেলানোর ভাবনাও চলছে গোপনে। সেক্ষেত্রে একজন ব্যাটসম্যান কম নিয়ে খেলবে সফরকারীরা। এতে উপেক্ষিত হতে হবে ইয়াসির আলি রাব্বিকে। তবে ব্যাটিং গভীরতার ভাবনা থাকলে এই পরিবর্তনটা না দেখার সম্ভাবনাই বেশি।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ
তামিম ইকবাল, মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, ইয়াসির আলি রাব্বী, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, ইবাদত হোসেন ও খালেদ আহমেদ।
বিভি/এইচএস



মন্তব্য করুন: