ফৌজদারী মামলার আসামি হতে চায় মাদ্রাসার এডহক কমিটির সভাপতি
ফৌজদারী মামলার আসামি হয়েও জোরপূর্বকভাবে আলিম মাদ্রাসার সভাপতি হতে চায় নোয়াখালী সদর উপজেলার ২নং দাদপুর ইউনিয়নের সাবেক যুবলীগকর্মী মো. জামাল উদ্দিন ওরফে পলাশ মাহমুদ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২নং দাদপুর ইউনিয়নের কৃপালপুর ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদ শূন্য হয়। এরপর থেকেই নিজের রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করে ছাত্রদলের কর্মী পরিচয়ে মাদ্রাসার সভাপতি হওয়ার পায়তারা করছে জামাল উদ্দিন। যেকোনোভাবে সভাপতি হতে উক্ত মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগও জমা দেয় জামাল উদ্দিন। এতে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নুরুল হুদাকে আওয়ামী ফ্যাসিস্টের দোসর উল্লেখ করে মাদ্রাসাকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করার অভিযোগের পাশাপাশি মাদ্রাসাতে শিক্ষার কোনো পরিবেশ না থাকার অভিযোগ করা হয়। যদিও মাদ্রাসা বোর্ড উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে তদন্ত করলে অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পায়নি।
এদিকে, জোরপূর্বকভাবে এডহক কমিটির সভাপতি হতে চাওয়া জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর হাজারীবাগ থানায় সৌদী প্রবাসী এক নারীর কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা রয়েছে। ওই মামলার এক নম্বর আসামি তার ছোট ভাই রাকিব হাসান, তিন নম্বর আসামি পিতা নুর মোহাম্মদ, চার নম্বর আসামি তার মা কল্পনা বেগম ও পাঁচ নম্বর আসামী তার বোন লিপি।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে উক্ত মাদ্রাসার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক জানান, জোরপূর্বক সভাপতি হতে চাওয়া জামাল উদ্দিন ওরপে পলাশ মাহমুদের হয়রানির কারণে গত কয়েকমাস যাবত মাদ্রাসার নিয়মিত শিক্ষার কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। ছাত্রদলের সাথে সম্পর্ক রয়েছে জানতে চাইলে স্থানীয় ইউপি মেম্বার জানান, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পূর্বে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয় ছিলো জামাল উদ্দিন। বিএনপির সাথে জামাল উদ্দিনের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে নোয়াখালী সদর উপজেলার ২নং দাদপুর ইউনিয়নের সাবেক যুবলীগকর্মী মো. জামাল উদ্দিন ওরফে পলাশ মাহমুদকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বিভি/পিএইচ




মন্তব্য করুন: