• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

১৭৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী মন্দির নিয়ে সনাতনী দু-পক্ষের দ্বন্দ্ব

গাইবান্ধা প্রতিনিধি  

প্রকাশিত: ১২:৫৯, ৪ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ১৩:০১, ৪ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
১৭৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী মন্দির নিয়ে সনাতনী দু-পক্ষের দ্বন্দ্ব

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ১৭৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী কালীর বাজার কেন্দ্রীয় মন্দিরের পরিচালনা নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। মন্দিরকে ব্যক্তিগত আধিপত্য থেকে মুক্ত করে সাধারণ সনাতনীদের নিয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক কমিটিকে বৈধতা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সনাতনী সমাজ।

ফুলছড়ি উপজেলার সাধারণ সনাতনী সমাজের পক্ষে লিখিত বক্তব্যে তারা জানান, ওসি মহোদয় ও জেলা নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্তে আহ্বায়ক অমল কুমার ভট্টাচার্য সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন ও উভয় পক্ষ থেকে ৫ জন করে নিয়ে ৬ মাসের যৌথ কমিটি করার কথা ছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত অমান্য করে মিলন কুমার বর্মণ তার লোকজন নিয়ে থানা ত্যাগ করেন।

বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, মিলন কুমার বর্মণ সাধারণ ভক্তদের নামে ফুলছড়ি থানায় মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেছেন। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গত ১৮-০৯-২০২৬ তারিখে কালীর বাজার কেন্দ্রীয় মন্দিরের নাম থেকে কেন্দ্রীয় শব্দ বাদ দেন। পরে হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে সকল মানুষ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র প্রতিবাদ ও জনরোষের মুখে পুনরায় কেন্দ্রীয় শব্দটি লিখতে বাধ্য হন।

তারা আরও অভিযোগ করেন, মিলন কুমার বর্মণ একটি সরকারি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক হয়েও শুধু পরিবারের লোকজন নিয়ে কমিটি দিয়ে মন্দির পরিচালনা করতে চান। বিগত ২০ বছরের সরকারি অনুদান, দোকান ভাড়া ও প্রণামীর প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা লোপাটের সুষ্ঠু তদন্ত এবং ১০-০৯-২০২৬ তারিখে গঠিত সাধারণ সনাতনীদের গণতান্ত্রিক কমিটিকে বৈধতা দেয়ার দাবি জানান তারা।

এ সময় জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ সরকারের উচ্চমহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ন্যায়বিচারের দাবি জানানো হয়।

লিখিত বক্তব্যে স্বাক্ষর করেন ফুলছড়ি উপজেলার সাধারণ সনাতনী সমাজের পক্ষে হেম চন্দ্র বর্মণ, ভূষণ কুমার দাস, জগদীশ বর্মণ ও খিলন রবিদাস।

বিভি/এআই

মন্তব্য করুন: