• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

মিয়ানমারের গোলা বর্ষণে জুম চাষিদের ঘুম নেই, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরাও

আল ফয়সাল বিকাশ, বান্দরবান

প্রকাশিত: ২০:৩৪, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২

ফন্ট সাইজ
মিয়ানমারের গোলা বর্ষণে জুম চাষিদের ঘুম নেই, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরাও

সংগৃহীত ছবি

মিয়ানমারে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মী (এএ) দমনের নামে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও বিজিপি’র ( বর্ডার গার্ড পুলিশ ) চলমান গোলা বর্ষনের ঘটনায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি তুমব্রু-ঘুমধুম সীমান্তে প্রায় আড়াই শতাধিক চাষি জুমে ও খেত খামারে যেতে না পেরে আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির সম্মুখিন। কখন গোলা এসে গায়ে পড়ে সেই আতংকে জুমে যেতে না পারায় ক্ষতির সম্মুখিন প্রায় আড়াইশ চাষি। ফলে মিয়ানমারে গোলা গুলির ঘটনায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি তুমব্রু-ঘুমধুম সীমান্তের চাষিদের চোখে ঘুম নেই। 

জুম চাষিরা বাংলাভিশনকে জানিয়েছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলা বর্ষনের ঘটনায় এলাকার চাষিরা জুমে ও খেত খামারে যেতে পারছে না । ফলে মৌসুমি ফলন বেগুন, মরিচ, কলা, ধানসহ নানা ফসল খেতেই নষ্ট হয়ে গেছে। এতে তারা লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতির সম্মুখিন । 

স্কুলগামী শিক্ষাথীরাও চরম আতংকের মধ্যে দিন পার করছেন
এদিকে স্কুলগামী শিক্ষাথীরাও চরম আতংকের মধ্যে দিন পার করছেন। কারণ স্কুল চলাকালীন সময় কামান ও মটারসেল বিস্ফোরনের কারনে তুমব্রু বাজার থেকে বাইশফাড়ি পর্যন্ত পুরো এলাকা কেপে উঠায় শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝেও চরম আতংক বিরাজ করছে। ফলে শিক্ষা জীবনও মারাত্বক ভাবে ব্যহত হচ্ছে। এদিকে ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি সেন্টার ঝুকিপর্ণ হওয়ায় সেটি স্থানন্তর করে কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে ৪৯৯ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। শিক্ষার্থীরা জানান, স্কুলে যেতে তাদের খুব ভয় করে। বোমার বিকট আওয়াজে তারা ভয় পায়। শিক্ষকরা তাদের অভয় দিয়ে স্কুল ছুটির পর রাস্তার এক পাশ দিয়ে চলাচল করতে বলেছেন। বোমা বিস্ফোরনের শব্দে তাদের পড়া লেখার সমস্যা হয় । 

এ বিষয় স্থানীয় ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর আজিজ জানিয়েছেন মিয়ানমারে চলামান সংকটের কারনে বান্দরবানের সীমান্তের কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তারা জুমে ও খেত খামারে যেতে না পারায় ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিশুদের মধ্যেও আতংক দেখা দিয়েছে। 

বান্দরবান জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভিন তিবরীজি জানান, সীমান্তে যারা জুম চাষ বা অন্যান্য ফসল চাষ করেছে তারা যদি ক্ষতিগ্রস্থ হয় তাদের পাশে আছে প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সহায়তা দেয়া হবে। 

মন্তব্য করুন: