৩৭ লাখ টাকা পাওনা চেয়ে ইভ্যালির বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালিকে প্রসাধনী ও খাদ্য পণ্য সরবরাহ করতে গিয়ে পাওনা ৩৭ লাখ টাকা ফেরত পেতে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ইভ্যালিকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে দুই প্রতিষ্ঠান।
পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থ্রি এস কর্পোরেশনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. সানোয়ার হোসেন এবং পিউর কেয়ার লিমিটেডের পক্ষে আইনজীবী আজমেরী মোশাররফ ডাকযোগে এ দু’টি নোটিশ পাঠান।
নোটিশে বলা হয়েছে, থ্রি এস কর্পোরেশন এবং পিউর কেয়ার লিমিটেড বিদেশ থেকে শিশুদের পণ্য এবং প্রসাধনী সামগ্রী আমদানি করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে সরবরাহ করে থাকেন। তেমনিভাবে ইভ্যালির একজন প্রতিনিধি মি. মাহাবুবুর রহমান তাদের প্ল্যাটফর্মে প্রতিষ্ঠান দু’টির পণ্য বিক্রি করার প্রস্তাব দেয়। এক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান দু’টির সংগে চুক্তি করে ইভ্যালি। এরপর ইভ্যালির চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করতো প্রতিষ্ঠান দু’টি এবং অর্থপ্রদানের জন্য চালান জমা দিতো।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, এই পর্যন্ত থ্রি এস কর্পোরেশন ইভ্যালির কাছে পণ্য সরবরাহ করেছে ৮০ লাখ ৪৫ হাজার ৪০ টাকা। ইভ্যালি তাদের পাওনা পরিশোধ করেছে মাত্র ৫০ লাখ টাকা। এখন পর্যন্ত ৩০ লাখ ৪৫ হাজার ৪০ টাকা ইভ্যালির কাছে পাওনা আছে থ্রি এস কর্পোরেশন। অন্যদিকে, ইভ্যালির কাছে ১৪ লাখ ৮৬ হাজার ৬২০ টাকার পণ্য সরবরাহ করেছে পিউর কেয়ার লিমিটেডে। ইতিমধ্যে আট লাখ টাকা পরিশোধ করেছে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ। এখন পর্যন্ত ইভ্যালির কাছে উক্ত প্রতিষ্ঠানের পাওনা ছয় লাখ ৮৬ হাজার ৬২০ টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চেয়ারম্যান এবং বোর্ড অব ডিরেক্টরের কাছে নোটিশ দু’টি পাঠানো হয়েছে।
থ্রি এস কর্পোরেশনের পক্ষে আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. সানোয়ার হোসেন বলেন, আমার মক্কেল পড়ালেখার পাশাপাশি ব্যবসা করতেন । ইভ্যালির ফাঁদে পড়ে আমার মক্কেল এখন পর্যন্ত ব্যবসায়িক ঋণের বোঝা বয়ে চলছে। এটা নিয়ে সুষ্ঠু সমাধান হওয়া দরকার। এজন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
নোটিশ পাঠানোর বিষয়ে পিউর কেয়ার লিমিটেডের পক্ষে আইনজীবী আজমেরি মোশাররফ জানান, পাওনা টাকা আটকে থাকা নিয়ে পিউর কেয়ারের বেশ জটিলতা হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। লিগ্যাল নোটিশের জবাব না পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
বিভি/রিসি
মন্তব্য করুন: