এলপিজি-এলএনজি নিয়ে দেশের জলসীমায় আরও দুই ট্যাংকার
ছবি: এলএনজিবাহী ট্যাংকার এমেই
একের পর এক জ্বালানিবাহী জাহাজ এলেও সংকট যেন কাটছেই না। সকাল হতেই চট্টগ্রাম নগরীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে শুরু হয়েছে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন। জ্বালানি নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে গ্রাহকদের। যার ফলে পেট্রোল পাম্পগুলোর বাইরে মোটরসাইকেল , প্রাইভেটকার, বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
এদিকে ইরানে যুদ্ধবিরতি শুরু হলেও হরমুজ প্রণালী দিয়ে দৈনিক ১৫টির বেশি জাহাজ চলাচলে অনুমতি না থাকায় এবং যেকোনো সময় পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আশঙ্কায় ওই রুটে জাহাজ একেবারই চলে কমে গেছে। ফলে বিকল্প পথে বিকল্প বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।
এদিকে আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে দেশে আসছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস(এলপিজি) নিয়ে আরো ৩টি ট্যাংকার। এরমধ্যে আজ মালয়েশিয়া থেকে ‘মর্নিং জেন’ নামে একটি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসবাহী (এলপিজি) ট্যাংকার দেশের জলসীমায় এসেছে ।এছাড়া ‘এমেই’ নামে আরেকটি ট্যাংকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের জলসীমায় এসেছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে।
আগামী শনিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি নিয়ে আসবে ‘কংটং’ নামের আরেকটি জ্বালানিবাহী ট্যাংকার। এছাড়াও আগামী ১৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে ‘পল’ নামের আরেকটি জ্বালানিবাহী ট্যাংকার দেশের জলসীমায় পৌঁছাবে এলপিজি নিয়ে। ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে ‘মারান গ্যাস হাইড্রা’ নামের আরেকটি ট্যাংকার দেশের জলসীমায় আসবে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ে।
এর আগে বুধবার রাতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের একটি ট্যাংকার ও ফুয়েল অয়েল নিয়ে "ইস্টার্ন কুইন্স" নামে আরেকটি ট্যাংকার দেশে আসে। যে দুটি ট্যাংকার থেকে চলছে জ্বালানি খালাস।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানিবাহী জাহাজের বার্থিংকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে এই পর্যন্ত ক্রুড অয়েল, এলপিজি, এলএনজিসহ বিভিন্ন জ্বালানি নিয়ে এসেছে অন্তত ৩৮টি জাহাজ।
বিভি/এআই



মন্তব্য করুন: