• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পদত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেন ডাকসুর সর্বমিত্র

প্রকাশিত: ১৯:৩৮, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

ফন্ট সাইজ
পদত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেন ডাকসুর সর্বমিত্র

পদত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার কথা জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসুর) নেতা সর্বমিত্র চাকমা।

নানা সমালোচনার মুখে গত সোমবার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন ডাকসুর এ কার্যনির্বাহী সদস্য।

এখন সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার কারণ হিসেবে তিনি বলছেন, ‘এভাবে’ পদত্যাগ করলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ‘প্রতারণা’ হয়ে যাবে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকালে গণমাধ্যমকে সর্বমিত্র বলেন, “শিক্ষার্থীরা চাচ্ছেন না আমি পদত্যাগ করি। তারা এটা গণবিরোধী আখ্যায়িত করছেন। এভাবে পদত্যাগ করা তাদের সঙ্গে প্রতারণা।

“শিক্ষার্থীরা বলেছে, ‘বিরোধীপক্ষের কথায় কান না দিয়ে কাজ করুন।’ তাই আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছি। আর পদত্যাগের বিষয়টি গঠনতন্ত্র সমর্থন করে না।

গঠনতন্ত্রের কোন ধারা তার পদত্যাগের সিদ্ধান্তের পরিপন্থি, তা জানতে চাইলে সর্বমিত্র বলেন, “পদত্যাগের বিষয়টি কোন ধারায় আছে, আমার জানা নাই।”

ডাকসুর গঠনতন্ত্রের ১২ এর ‘খ ধারায় বলা হয়েছে, “কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো সদস্য বা কোনো পদাধিকারী পদত্যাগ করলে, মৃত্যুবরণ করলে অথবা পদ থেকে অপসারিত হলে, তার অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য এখানে নির্ধারিত প্রচলিত নির্বাচন পদ্ধতির মাধ্যমে শূন্য পদটি পূরণ করা হবে।”

গত বছর ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বিজয়ী হন সর্বমিত্র।

দায়িত্ব নেওয়ার পর একের পর এক ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েন সর্বমিত্র। সবশেষ সমালোচনায় পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে গত মাসে খেলতে আসা একদল কিশোরকে কান ধরে উঠবস করিয়ে।

সমালোচনার মুখে গত সোমবার ফেইসবুকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন সর্বমিত্র। তবে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার ব্যাপারে তিনি সেদিন কোনো তথ্য দেননি।

একদল কিশোরকে কান ধরে উঠবস করানোর আগে সর্বমিত্র সমালোচনায় আসেন দুই মাসে আগে।

গত নভেম্বরে ক্যাম্পাস থেকে ‘অবৈধ’ দোকান উচ্ছেদে নেমে গভীর রাতে এক বৃদ্ধকে লাঠি হাতে শাসানোর অভিযোগ ওঠে সর্বমিত্রের বিরুদ্ধে।

এ ছাড়া চলতি মাসে ক্যাম্পাসে ‘চাঁদাবাজির’ অভিযোগ নিয়ে ছাত্রদল ও বাগছাসের (বর্তমান জাতীয় ছাত্রশক্তি) সঙ্গে বিবাদে জড়ান তিনি।

এদিকে কান ধরে উঠবস করানোর ঘটনায় সমালোচনা শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে তাকে শোকজ করার কথা জানান প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমদ।
 

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন: