নব্বইয়ের নস্টালজিয়া আর ভালোবাসার গল্পে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘লাভ ৯৬’
লাভ ৯৬
নব্বই দশকেই বাংলা চলচ্চিত্রে ধূমকেতুর মতো আবির্ভাব ঘটে এক সুপারস্টারের—সালমান শাহ। অল্প সময়েই তিনি হয়ে ওঠেন লাখো তরুণ-তরুণীর হৃদয়ের স্পন্দন। তার অভিনয়, স্টাইল, ব্যক্তিত্ব এবং রোমান্টিক উপস্থিতি বদলে দিয়েছিল বাংলা চলচ্চিত্রের ধারা। কিন্তু ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আকস্মিকভাবে সালমান শাহ’র মৃত্যুসংবাদ পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দেয়। প্রিয় নায়কের মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে আত্মহুতির পথও বেছে নিয়েছিলেন তার অসংখ্য ভক্ত।
সেই আবেগঘন সময় এবং সালমান শাহ’র এক অন্ধ ভক্তের জীবন কাহিনীকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র “লাভ ৯৬”। ১৯৯৬ সালের এক অন্যরকম ভালোবাসার গল্প নিয়ে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন তরুণ নির্মাতা ইভান মল্লিক।
চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছেন রাইসা ফিল্মস-এর কর্ণধার প্রযোজক মো: জসিম উদ্দিন।
চলচ্চিত্রটিতে প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় জুটি হয়েছেন আরিয়ান খান ও পূর্ণতা। এছাড়াও ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন শিবা সানু, সানজিদা মিলা, তমাল মাহবুব, রেবেকা রউফ, আরমান খান, প্রিয়া, ডি জে সোহেল, রুবেল রানা এবং সিমান্ত খন্দকার সহ আরো অনেকে।
একজোড়া নতুন মুখ নিয়ে নির্মাতা ইভান মল্লিক দর্শকদের সামনে তুলে ধরেছেন নব্বই দশকের আবেগ, প্রেম, স্মৃতি এবং এক ভক্তের হৃদয়ভাঙার গল্প। চলচ্চিত্রটির শুটিং হয়েছে খতিব খামার বাড়ি, টাঙ্গাইল, পুবাইলসহ সালমান শাহ অভিনীত বিভিন্ন জনপ্রিয় সিনেমার শুটিং স্পটে। ফলে চলচ্চিত্রটিতে নব্বই দশকের আবহ এবং সালমান শাহ’র স্মৃতিকে বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।
নির্মাতা ইভান মল্লিক জানান, “লাভ ৯৬” শুধু একটি প্রেমের গল্প নয়; এটি নব্বই দশকের মানুষদের অনুভূতি, স্মৃতি এবং সালমান শাহকে ঘিরে কোটি ভক্তের আবেগের প্রতিচ্ছবি।
ইতিমধ্যেই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে আনকাট ছাড়পত্র পেয়েছে। শুধু তাই নয়, চলচ্চিত্রটির গল্প, নির্মাণশৈলী এবং নব্বই দশকের আবেগঘন উপস্থাপনা বোর্ডের সদস্যদের কাছেও প্রশংসিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিভি/জোহা













মন্তব্য করুন: