থিয়েটারের মঞ্চ থেকে ফেস অব টুমরোর চ্যাম্পিয়ন লাবন
জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্প্রতি শেষ হয়েছে দেশের নতুন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পী খোঁজার উদ্যোগ ‘ফেস অব টমোরো’-এর প্রথম আসর। গত ১০ আগস্ট অনুষ্ঠিত ‘গ্র্যান্ড সিনেমাটিক গালা’তে সেরা ২০ প্রতিযোগীর মধ্য থেকে বিচারকদের চূড়ান্ত মূল্যায়নে রাইসা ও লাবনকে চ্যাম্পিয়ন কাপল ঘোষণা করা হয়।
অভিনয়কে শুধু পেশা নয়, জীবনের অন্যতম বড় ভালোবাসা হিসেবে দেখেন অভিনেতা, মডেল ও নাট্যকর্মী এমএইচএস লাবন। দীর্ঘদিনের থিয়েটারচর্চা, অভিনয়ের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা এবং নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে এবার বড় একটি স্বীকৃতি পেলেন তিনি। ‘ফেস অব টুমরো ২০২৬’-এর চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন লাবন।
মার্কেটার্স ৩৬০ ডিগ্রি ও ৩৬০ ডিগ্রি সিনেমার আয়োজনে ‘ফেস অব টুমরো’ সাজানো হয়েছে নতুন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদের খুঁজে বের করা এবং তাদের পেশাদার কাজের সুযোগ তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে নির্বাচিত শীর্ষ ২০ প্রতিযোগীকে নিয়ে নির্মাণের জন্য পরিকল্পনা ও প্রস্তুত করা হয়েছে ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ১০ জন নির্মাতার সঙ্গে এসব চলচ্চিত্রে কাজের সুযোগের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগীদের শুধু প্রতিযোগী হিসেবে নয়, সম্ভাবনাময় অভিনয়শিল্পী হিসেবে নিজেদের প্রমাণের সুযোগও তৈরি হয়েছে। গ্র্যান্ড সিনেমাটিক গালা নাইটে চলচ্চিত্রগুলোর গল্প, পরিচালক, লোকেশন ও প্রধান জুটির পরিচয় তুলে ধরা হয়। সেই যাত্রার শেষ ধাপে চ্যাম্পিয়নের কাপলের মাথায়।
এ নিয়ে লাবন জানানা, অভিনয়জীবনের শুরু থেকেই থিয়েটারকে তিনি নিজের শেখার অন্যতম প্রধান জায়গা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। হাইনার মুলারের ‘হ্যামলেট-মেশিন’-এ হ্যামলেট চরিত্রে অভিনয় তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ অভিজ্ঞতা। প্রযোজনাটি ‘ইশরাত নিশাত নাট্য পুরস্কার ২০২৩’-এ বিশেষ স্বীকৃতিও অর্জন করে। থিয়েটারে তার সর্বশেষ অভিনীত নাটক হেনরিক ইবসেনের ‘হোয়েন উই ডেড অ্যাওয়েকেন’, যেখানে তিনি রুবেক চরিত্রে অভিনয় করেন।
অভিনয়ের পথে লাবন শিখেছেন গাজী রাকায়েত, নওরিন সাজ্জাদ ও তারিক আনাম খানের মতো গুণী শিল্পীর কাছ থেকে। পাশাপাশি তৌকির আহমেদ, নুরুল আলম আতিক, মেজবাউর রহমান সুমন, মাসুদ হাসান উজ্জ্বল, গিয়াস উদ্দিন সেলিম ও মহিউদ্দিন শাকেরসহ আরও অনেক নির্মাতা ও অভিনয় শিক্ষকের কাছ থেকেও শেখার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।
বিভি/জোহা













মন্তব্য করুন: