• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিখাতে লিঙ্গসমতা নিয়ে ইইউ ডেলিগেশনে আলোচনা

ইয়াছির আরাফাত, প্যারিস, ফ্রান্স

প্রকাশিত: ১৪:৪৩, ১২ মার্চ ২০২৬

আপডেট: ১৪:৪৫, ১২ মার্চ ২০২৬

ফন্ট সাইজ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিখাতে লিঙ্গসমতা নিয়ে ইইউ ডেলিগেশনে আলোচনা

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতখাতে নারীদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা উদ্ভাবন, প্রতিযোগিতার সক্ষমতা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এমন মত উঠে এসেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ডেলিগেশনে আয়োজিত এক আলোচনায়।

সম্প্রতি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাঙ্গন এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ আলোচনায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিখাতে বিদ্যমান লিঙ্গবৈষম্য কমিয়ে আনা এবং ইউরোপের উদ্ভাবনভিত্তিক পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করার বাস্তবসম্মত উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বক্তারা বলেন, সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিল্পখাত একযোগে কার্যকর উদ্যোগ নিলে এ খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো সম্ভব। এতে ইউরোপের সামগ্রিক মেধা ও দক্ষতার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাবে এবং ভবিষ্যৎ নির্ধারণকারী খাতগুলোতে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বেলজিয়ামের রাষ্ট্রদূত জেরোন কুরেমান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডেলিগেশনের রাজনৈতিক বিভাগের প্রধান মারি-লর দে বার্ঘ উদ্বোধনী বক্তব্য দেন। তারা তাদের বক্তব্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের জন্য এই খাতে সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।

আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মেলেক্সিসের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফ্রাঁসোয়াজ শোম্বার, যিনি ফ্লেমিশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মের সদস্যও। এছাড়া বক্তব্য দেন ইউনিভার্সিটি অব লেস্টারের চ্যান্সেলর ডেম ম্যাগি অ্যাডেরিন-পোকক, ইউসিএল ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনের শিক্ষা সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক লুইস আর্চার এবং কুইন্স ইউনিভার্সিটি বেলফাস্টের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের ডক্টরাল গবেষক নিয়াম ম্যালাহান।

বক্তারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিখাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং শিক্ষা ব্যবস্থা, নীতিনির্ধারণ ও শিল্পখাতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে ডক্টরাল গবেষক এবং প্রযুক্তি বিষয়ক লেখক ক্যাটলিন মেলর।

আয়োজকরা জানান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিখাতে লিঙ্গসমতা নিশ্চিত করা গেলে ইউরোপের উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক শক্তি আরও বাড়বে। এ ধরনের আলোচনা ভবিষ্যতে কার্যকর নীতি প্রণয়ন ও বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

বেলজিয়াম দূতাবাস এবং ফ্ল্যান্ডার্স ডেলিগেশনের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন: