বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল মিলানের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন
ইতালির মিলানে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। ২৬ মার্চ দিনব্যাপী বৈচিত্র্যময় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসটি পালন করে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, মিলান।
সকালে কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে জাতীয় সংগীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে পালন করা হয় এক মিনিটের নীরবতা। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন কনসুলেটের কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়া ডিএফপি নির্মিত একটি বিশেষ তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
আলোচনা সভায় কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, ‘আমাদের দ্বিতীয় প্রজন্মকে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। যে ত্যাগ ও সংগ্রামের বিনিময়ে এই দেশ অর্জিত হয়েছে, তা যেন তারা হৃদয়ে ধারণ করে। পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশীদের সেবা প্রদানে আমাদের সর্বোচ্চ আন্তরিক থাকতে হবে।’
কূটনৈতিক মিলনমেলা
সন্ধ্যায় মিলানের ঐতিহাসিক পালাজ্জো ইসিমবারদি-তে এক জমকালো কূটনৈতিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিলানের ডেপুটি মেয়র ফ্রাঞ্চেসকো ভাসাল্লো। এছাড়া কূটনৈতিক কোরের সদস্য, লোম্বারদিয়া অঞ্চলের স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দসহ দেড় শতাধিক অতিথি এতে অংশ নেন।
কনসাল জেনারেল ইতালিকে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করেন এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি ইতালীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।
ডেপুটি মেয়র ফ্রাঞ্চেসকো ভাসাল্লো লোম্বারদিয়া অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কঠোর পরিশ্রম ও স্থানীয় অর্থনীতিতে তাদের ক্রমবর্ধমান অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
আমন্ত্রিত অতিথিদের চব্বিশ পদের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবার, পিঠা ও মিষ্টান্ন দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়, যা উপস্থিত বিদেশিদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।
দিনব্যাপী এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইতালির মাটিতে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস সগৌরবে তুলে ধরা হয়।
বিভি/এআই



মন্তব্য করুন: