• NEWS PORTAL

  • সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সাভারের মাশরুম বাজার, ঝুড়িভর্তি ‘সোনার ফসল’

নাজমুল হুদা শাহীন, সাভার

প্রকাশিত: ১৬:৫২, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ফন্ট সাইজ
সাভারের মাশরুম বাজার, ঝুড়িভর্তি ‘সোনার ফসল’

ছবি: মাশরুম বাজার

দেশের সবচেয়ে বড় মাশরুমের পাইকারি বাজার বসে সাভারের মাশরুম উন্নয়ন কেন্দ্রের মূল ফটকের সামনে। সকাল হতেই এই বাজারে জমে ওঠে ঝুড়িভর্তি সাদা, বাদামি আর  সোনালি রঙের তাজা মাশরুম বেচাকেনা। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এই কর্মচাঞ্চল্য। 

বিভিন্ন  জেলা  থেকে মাশরুম চাষীরা হাজির হন এখানে। কেউ ঝুড়িতে, কেউ ভ্যানে করে নিয়ে আসেন মাশরুম। আবার বড় বড় রেস্তোরাঁ ও তারকা  হোটেলের প্রতিনিধি  থেকে শুরু করে খুচরা ব্যবসায়ীরাও এই বাজারেই ভিড় জমান মাশরুম কিনতে। 

এই বাজারে পাওয়া যায় বাটন মাশরুম, ঋষি মাশরুম,  গোল্ডেন ওয়েস্টার, কান মাশরুম, মানকি  হেডসহ হরেক রকমের মাশরুম। শুধু কাঁচা মাশরুম নয়, বিক্রি হয় মাশরুমের স্পন, পাউডার, স্যুপ ও নানা রকমের পণ্য। 

চাষীরা জানান,  দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের অনেকেই সরাসরি আসতে না পারলেও পরিবহনের মাধ্যমে প্রতিদিনই মাশরুম পাঠায় এই বাজারে। প্রোটিনসমৃদ্ধ ও পুষ্টিকর খাদ্য হওয়ায় এর চাষ ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। অনেকের কাছেই এটি এখন জীবিকার প্রধান ভরসা।

বিশেজ্ঞরা বলছেন— এই মাশরুম অত্যন্ত  প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। এতে ২৫ থেকে ৩৫ পারসেন্ট প্রোটিন রয়েছে। এ ছাড়া প্রচুর পরিমাণে রয়েছে ভিটামিন ডি, মিনারেল, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস-সহ নানা গুনাগুন।

প্রতিবছর দেশে প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন মাশরুম উৎপাদন হচ্ছে, যার বাজারমূল্য সাড়ে ৮’শ  থেকে ৯’শ  কোটি টাকা। পুষ্টিগুণ আর ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে সাভারের এই বাজার দেশের  গন্ডি ছাড়িয়ে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারেও মাশরুম রফতানির বড় সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বিভি/এমআর

মন্তব্য করুন: