বিশ্ববাজারে আবারও সোনার দামে বড় লাফ, দেশে ভরি কত?
নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে চাহিদা বাড়ায় বিশ্ববাজারে আবারও বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে সোনার দামে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিমুক্ত সম্পদ হিসেবে ফের সোনার দিকে ঝুঁকছেন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ১৩ মিনিটে স্পট মার্কেটে সোনার দাম প্রতি আউন্সে ২ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৮২ দশমিক ৯৪ ডলারে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৫৯৪ দশমিক ৮২ ডলারে পৌঁছেছিল এই মূল্যবান ধাতুর দাম।
এদিকে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দামও ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ১০৩ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছেছে।
বিষয়টি নিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এএনজেড ব্যাংকের বিশ্লেষক সনি কুমারি বলেন, “দাম অনেক বেড়ে যাওয়ার পর কিছুটা সংশোধন হওয়া স্বাভাবিক। তবে আবার দাম বাড়তে শুরু করায় বোঝা যাচ্ছে, সোনার বাজারের মৌলিক শক্তি এখনো অটুট রয়েছে।”
অন্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম ৬ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৯০ দশমিক ৩৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। যদিও গত বৃহস্পতিবার রুপার দাম রেকর্ড সর্বোচ্চ ১২১ দশমিক ৬৪ ডলারে উঠেছিল। প্লাটিনামের দাম ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ২ হাজার ৩৩৪ দশমিক ২৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮২৬ দশমিক ২১ ডলারে।
বিশ্ববাজারের এই ঊর্ধ্বগতির প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ১৮৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে সোনার দামে আরও অস্থিরতা দেখা যেতে পারে।
বিভি/টিটি



মন্তব্য করুন: