• NEWS PORTAL

  • সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

যে কারণে বাংলাদেশ সীমান্তে সাপ ও কুমির ছাড়তে চাচ্ছে ভারত

প্রকাশিত: ১৭:২০, ৬ এপ্রিল ২০২৬

ফন্ট সাইজ
যে কারণে বাংলাদেশ সীমান্তে সাপ ও কুমির ছাড়তে চাচ্ছে ভারত

বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে নতুন পরিকল্পনা এঁটেছে ভারত সরকার। সীমান্ত চৌকি ঘিরে এর আগে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ, কোথাও কোথাও ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক সরঞ্জামও বসিয়েছে ভারত। এবার সীমান্তবর্তী নদী ও জলাভূমিতে কুমির ও সাপ ছাড়ার ভাবনা এসেছে ভারত সরকারের মাথায়।

এর কারণ হিসেবে তারা বলছে, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ঠেকানো। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন থাকা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কর্তাদের বলা হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নদী ও জলাভূমি অঞ্চলে যেখানে বেড়া দেওয়া যায়নি এবং যেসব এলাকায় সার্বক্ষণিক পাহারা দেওয়া সম্ভব নয়, সেখানে কুমির বা সাপের মতো সরীসৃপ ছাড়া যায় কি না। এতে করে কুমির ও সাপের ভয়ে অনুপ্রবেশকারী কমবে বলে আশা দেশটির।

এদিকে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী বিএসএফ সূত্রের মতে, শুধু অনুপ্রবেশই নয়, এই ব্যবস্থায় ওই সব এলাকা দিয়ে চোরাচালানও বন্ধ হতে পারে। কমতে পারে অপরাধমূলক অন্যান্য কাজও। বিষয়টি এখনো চিন্তাভাবনার পর্যায়ে রয়েছে। কোনো রকম সরকারি আদেশ জারি করা হয়নি।

ভারতের গণমাধ্যম দ্য হিন্দু লিখেছে, সীমান্তের জলাশয়ে সাপ-কুমির ছাড়ার ভাবনাটি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর মাথা থেকে এসেছে। গত ২৬ মার্চ বিএসএফের সদর দপ্তর থেকে মাঠপর্যায়ের সব ইউনিটকে এক বার্তা পাঠানো হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, অমিত শাহর এই ভাবনা বাস্তবায়িত এবং কার্যকর সম্ভব কি না, তা যেন খতিয়ে দেখা হয়।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বিস্তৃতি ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার। এই সীমান্তের মধ্যে ১৭৫ কিলোমিটার অংশে নদী ও জলাভূমি রয়েছে। বিএসএফের দাবি, কড়া নজরদারি সত্ত্বেও ওই অঞ্চল দিয়ে অনুপ্রবেশ যেমন ঘটে, তেমনই চলে চোরাচালান।

দ্য হিন্দু জানিয়েছে, এই ভাবনা কার্যকর করার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যেমন সরীসৃপ সংগ্রহ। কীভাবে কুমির ও সাপ সংগ্রহ করা হবে, সেটা যেমন বড় প্রশ্ন, তেমনই তার প্রভাব ওই সব অঞ্চলের মানুষের ওপর কতটা পড়বে, সেটাও বিবেচনার বিষয়। সূত্র: দ্য হিন্দু

বিভি/এজেড

মন্তব্য করুন: