গাজার ধ্বংসস্তূপে ২৫০ যুগলের গণবিয়ে, তাবু নাকি নতুন ঘর কোথায় থাকবেন তারা?
ফিলিস্তিনের গাজার ভয়াবহ ধ্বংসস্তূপ আর বাস্তুচ্যুতদের তাবুর পাশেই হলো ২৫০ ফিলিস্তিনি যুগলের বিয়ে। শুক্রবার গাজা সিটির সমুদ্র উপকূলবর্তী সি ক্লাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন ২৫০ বর ও ২৫০ কনে। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় এমন আয়োজনকে ঘিরে নবদম্পতি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দেখা যায় আনন্দ ও আবেগের মিশ্র অনুভূতি। কোথায় থাকবেন এ নব দম্পতিরা? নতুন ঘর নাকি তাবুতেই হবে তাদের নতুন আশ্রয়?
ইসরাইলের একের পর এক হামলায় স্বজন আর ঘরবাড়ি হারানো ফিলিস্তিনি শিবিরে এবার বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন ২৫০ ফিলিস্তিনি যুগল। শুক্রবার গাজা সিটির সমুদ্র উপকূলবর্তী সি ক্লাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন ২৫০ বর ও ২৫০ কনে। এমন আয়োজনকে ঘিরে নবদম্পতি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দেখা যায় মিশ্র অনুভূতি। বিয়ের শোভাযাত্রায় ফিলিস্তিনের পতাকা, ফুল ও লাল ফিতা দিয়ে সাজানো কয়েক ডজন গাড়ি অংশ নেয়। ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপ এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের তাঁবুর পাশ দিয়ে উপকূলীয় সড়ক ধরে শোভাযাত্রাটি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছায়।
অনুষ্ঠানে কনেরা সেজেছিলেন সাদা পোশাকের সঙ্গে ফিলিস্তিনের ঐতিহ্যবাহী রঙিন নকশার পোশাকে। মাথায় সোনালি রঙের অলংকার, হাতে ফুলের তোড়া আর ঐতিহ্যবাহী সূচিকর্ম করা আবরণে তাদের দেখা যায়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহযোগিতায় আয়োজিত এই গণবিয়ের নাম দেয়া হয়েছে ড্রেস অব জয়-থ্রি। গাজার কঠিন জীবনযাত্রার কারণে যেসব তরুণ-তরুণীর বিয়ে করা কঠিন হয়ে পড়েছে, তাদের সহায়তা করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। কিন্তু প্রশ্ন হলো নবদম্পতিরা কী নতুন বাড়িতে সংসার শুরু করবেন? নাকি ঠাই হবে সেই তাবুতেই?
বিয়েতে অংশ নেয়া এক বরের ভাষ্যমতে, ইসরাইলি বোমাবর্ষণে তাদের পরিবারের বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। নতুন সংসার শুরু করার বড় চ্যালেঞ্জ নিতে হচ্ছে তাকে। নতুন করে বাড়ি ভাড়া নেয়া কিংবা কেনার সামর্থ্য নেই । তাই বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে তাঁবুতেই থাকতে হবে।
গণবিয়েতে অংশ নেয়া অনেকেই ইসরাইলি হামলায় মা-বাবা ও স্বজনদের হারিয়েছেন। জীবনের বিশেষ এই দিনে মাকে পাশে পাওয়ার প্রবল ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সেই স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না তাদের।
বিভি/এজেড













মন্তব্য করুন: