ইএএসডির জরিপ: ৬৬.৩% ভোটার বিএনপিকে ভোট দিতে চান
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৪১,৫০০ জন মানুষের উপর জরিক করেছে এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (EASD)। সেখানে উঠে এসেছে ৬৬.৩% ভোটার বিএনপিকে ভোট দিতে চান। আর ১১% ভোটার ভোট দিতে চান জামায়াতকে।
সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে একটি সংবাদ সম্মেলন ডেকে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করে সংস্থাটি।জাতীয় জনমত জরিপটি সারাদেশের ৩০০টি সংসদীয় আসন থেকে মোট ৪১,৫০০ জনের মতামত নিয়ে জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়।
জনমত জরিপের পদ্ধতি ও ফলাফল
আসন্ন ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি সুষ্পষ্ট প্রতিফলন ফুটে উঠেছে এই জনমত জরিপে।জরিপটি দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনেই প্রাইমারি স্যাম্পলিং ইউনিট (PSU) পদ্ধতি অনুসরণ করে পরিচালিত হয়েছে। মোট ৪১,৫০০ জন উত্তরদাতার তথ্য 'কোবো টুলবক্স' ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়।
১৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১৫০ জন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত তথ্য সংগ্রহকারী মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছেন। দেশের বিভিন্ন জনমিতিক ও আঞ্চলিক দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করার জন্য সারা দেশে মোট ২,৭৬৬টি PSU নির্বাচন ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি PSU থেকে ধারাবাহিকভাবে ১৫টি পরিবার নির্বাচন করা হয়েছে এবং প্রতিটি পরিবার থেকে একজন যোগ্য উত্তরদাতার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, যাতে পদ্ধতিগত ও পক্ষপাতহীন তথ্য সংগ্রহ নিশ্চিত হয়। গ্রামীণ এলাকার জন্য ইউনিয়ন এবং শহরাঞ্চলের জন্য ওয়ার্ডগুলোকে ক্লাস্টার হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, যা নিশ্চিত করেছে যে এই জরিপে গ্রাম ও শহর উভয় অঞ্চলের মানুষের সমান প্রতিনিধিত্ব রয়েছে।
মোট ৪১,৫০০জন উত্তর দাতার অংশগ্রহণে পরিচালিত এই জরিপে দেখা যায় যে, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ২৬৫৬০ জন পুরুষ, যা মোট সংখ্যার ৬৪% এবং ১৪,৯২২ জন নারী, যা মোট সংখ্যার ৩৬%। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, ১৮-৩০ বছর এই তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ ছিল মোট ৩৭.২%। এবং ৩১-৫০ বছরবয়সী অংশগ্রহণকারীর হার ৪৫.২%, যেখানে ৩১-৪০ বছর বয়সী ২৭.৫%
এবং ৪১-৫০ বছর বয়সী ১৭.৭%। নতুন প্রজন্মের এই ব্যাপক অংশগ্রহণ ইঙ্গিত দেয় যে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে তরুণ সমাজ বর্তমানে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। পেশাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বোচ্চ ২১.৯% উত্তরদাতা ছিলেন ব্যবসায়ী; এদের মধ্যে বড় ও মাঝারি ব্যবসায়ী ছিলেন ৫.০% এবং ছোট ব্যবসায়ী ছিলেন ১৬.৯%। পাশাপাশি, কৃষি ও গ্রামীণ শ্রমজীবী খাতে মোট অংশগ্রহণকারী ছিল ১৩.২% অন্যদিকে, গৃহস্থালি ও অনানুষ্ঠানিক খাতে মোট অংশগ্রহণকারী ছিল ১৯.১%; শিক্ষার্থীদের মোট অংশগ্রহণকারী ছিল ১৪.৫%।
রাজনৈতিক পছন্দের ক্ষেত্রে জরিপের সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায় যে, বাংলাদেশের অধিকাংশ ভোটারের পছন্দ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সর্বোচ্চ ৬৬.৩% ভোটার বিএনপি-কে ভোট দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে।
এর বিপরীতে ১১.৯% সমর্থন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ১.৭% ও অন্যান্যদের মধ্যে জাতীয় পার্টির জনসমর্থন ৪% এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ২.৬%। লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, নারী ভোটারদের মধ্যে বিএনপির জনপ্রিয়তা বেশি, যেখানে৭১.১% নারী ভোটার বিএনপিকে সমর্থন দিচ্ছেন।
আঞ্চলিক বিশ্লেষণে বিএনপি জোটের প্রতি সর্বোচ্চ সমর্থন পাওয়া গেছে যথাক্রমে চট্টগ্রামে ৭৬.৮% এবং সিলেটে৭৫.৬%। তবে বরিশাল ও খুলনায় জামায়াতে ইসলামী জোটের শক্তিশালী অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে দলটির সমর্থন যথাক্রমে ১৭.৮% এবং ১৮.৬%।
অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের রংপুরে জাতীয় পার্টি ৩% ভোটারের সমর্থন পেয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা বর্তমানে অত্যন্ত সুদৃঢ়। জরিপে অংশগ্রহণকারী সর্বোচ্চ ৬৬.৪% মানুষ বিশ্বাস করেন যে আসন্ন নির্বাচনের পর বিএনপি জোট সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে এবং ৬৬.৩% ভোটার তাদের নিজ নিজ আসনে বিএনপি প্রার্থীর জয়ের ব্যাপারে মতামতব্যক্ত করেছেন। সামগ্রিকভাবে এই জরিপটি দেশের সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং একটি বৃহৎ পরিবর্তনের জন্য বিএনপির প্রতি প্রত্যাশাকেই জোরালোভাবে তুলে ধরেছে।
জরিপে উঠে আসা আরেকটি তথ্য হলো পূর্বে নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে সমর্থন দেওয়া ভোটারদের বর্তমান রাজনৈতিক ঝোঁক। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, আগে নির্বাচনে আওয়ামী লীগে ভোট দেওয়া ভোটারদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এখন পরিবর্তনের পক্ষে মত দিচ্ছেন। এদের মধ্যে ৮০% আসন্ন ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিএনপি-কে ভোট দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে, আওয়ামী লীগের সাবেক ভোটারদের ১৫% জামায়াতে ইসলামীকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন এবং বাকি ৫% অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। জরিপের ফলাফল অনুযায়ী নির্বাচনে সর্বাধিক আসন পেতে পারে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। জরিপ অনুযায়ী, বিএনপি জোট প্রায় ২০৮টি আসনে জয়লাভ করতে পারে। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের সম্ভাব্য আসন সংখ্যা ৪৬টি।
এছাড়া জাতীয় পার্টি ৩টি, অন্যান্য দল ৪টি, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১৭টি আসনে জয়ী হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ২২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হাড্ডাহাড্ডি (ক্লোজড কনটেস্ট) হতে পারে বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে।
জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে সমর্থন করেছেন সর্বাধিক ৬৮ শতাংশ উত্তরদাতা। অন্যদিকে শফিকুর রহমানের পক্ষে মত দিয়েছেন ১৪ শতাংশ এবং নাহিদ ইসলামের পক্ষে মত দিয়েছেন ২ শতাংশ উত্তরদাতা।এছাড়া ১৬ শতাংশ উত্তরদাতা এ বিষয়ে মত প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক বলে জানিয়েছেন।
সীমাবদ্ধতা
জরিপ পদ্ধতি ও এর সীমাবদ্ধতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে উল্লেখ করা হয় যে, ৪১,৫০০ জনের এই বিশাল নমুনা সংখ্যা জাতীয় পর্যায়ের একটি সাধারণ ট্রেন্ড বা প্রবণতা বুঝতে যথেষ্ট কার্যকরী। তবে দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের প্রতিটি থেকে পৃথক ও সুনির্দিষ্ট ফলাফল দেওয়ার জন্য যে পরিমাণ ব্যাপক ও গভীর নমুনার প্রয়োজন ছিল, এই জরিপে তা পুরোপুরি প্রতিনিধিত্ব করে না।
এছাড়া, প্রতিটি পরিবারকে সুনির্দিষ্টভাবে ম্যাপিং করে স্যাম্পল নিতে পারলে তার গ্রহনযোগ্যতা বৃদ্ধি পেত। জরিপটি একটি ক্রস-সেকশনাল নকশা অনুসরণ করায় এটি নির্দিষ্ট সময়ের জনমত প্রতিফলিত করে, ফলে সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত রাজনৈতিক মনোভাব বা ভোটারদের সিদ্ধান্তগত পরিবর্তন এতে প্রতিফলিত নাও হতে পারে।
উত্তরদাতাদের স্ব-প্রতিবেদিত মতামতের ওপর তথ্য নির্ভর করায় সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য উত্তর প্রদানের প্রবণতা, রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা অথবা ভয়ের কারণে প্রকৃত মতামত সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ না পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। নির্ধারিত নমুনা কাঠামো ও মানসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করা হলেও দুর্গম এলাকা, নিরাপত্তাজনিত সীমাবদ্ধতা বা সময়ের সংকটের কারণে কিছু জনগোষ্ঠীর মতামত তুলনামূলকভাবে কম প্রতিনিধিত্ব পেতে পারে।
এছাড়া, শুধুমাত্র ১৮ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করায় প্রথমবার ভোটার বা অনিবন্ধিত ভোটারদের দৃষ্টিভঙ্গি জরিপে প্রতিফলিত হয়নি। সর্বশেষে, তথ্য সংগ্রহের সময় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, চলমান ঘটনাবলি বা গণমাধ্যমের প্রভাব উত্তরদাতাদের প্রতিক্রিয়ায় তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে, যা জরিপের ফলাফলে পক্ষপাত সৃষ্টি করার সম্ভাবনা রাখে।গবেষক দলের মতে, এই সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উত্তরদাতাদের মানসিকতায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে, যার ফলে অনেক ক্ষেত্রে ভোটারদের পছন্দে যুক্তিনির্ভর বিশ্লেষণের চেয়ে তাৎক্ষণিক আবেগের প্রতিফলন ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্যানেল বক্তারা যা বলেন
অনুষ্ঠানের প্যানেলিস্টরা এই জনমতকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। মীর নাদিয়া নিভিন বলেন, এই জনমতে নারী ও তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ একটি অত্যন্ত ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক দিক। তাঁর মতে, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় যাদের কণ্ঠ তুলনামূলকভাবে উপেক্ষিত ছিল, এই অংশগ্রহণ তাদের মতামত ও প্রত্যাশাকে সামনে নিয়ে আসার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে।
তিনি আরও বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও তরুণদের অংশগ্রহণ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, প্রতিনিধিত্বশীল ও ভবিষ্যতমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ডঃ রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর মনে করেন, এই জনমত সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতি জনগণের সুস্পষ্ট আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ। তাঁর মতে, জনগণ স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রত্যাশা করছে, যেখানে নীতিনির্ধারণে জনস্বার্থ সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।
প্রফেসর শামসুল আলম সেলিম তরুণদের এই রায়কে বাক-স্বাধীনতার স্পৃহা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
তৌফিক জোয়ার্দার প্রান্তিক মানুষের জীবন-জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
ড. সোহাগ আওয়াল বলেন এই জনমত দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতি জনগণের গভীর প্রত্যাশার প্রতিফলন।
প্রফেসর ড. নাহরীন আই. খান বলেন, এই জনমত ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং সামাজিক ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার প্রতি জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশারই বহিঃপ্রকাশ। অধ্যাপক এ. এস. এম. আমানুল্লাহ বলেন এই জনমত প্রমাণ করছে, মানুষ এখন সচেতন, সক্রিয় এবং জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব চায়।পরিশেষে, অনুষ্ঠানের সভাপতি ডা. কাজী সাইফউদ্দীন বেননূর বলেন, এই জন আকাঙ্ক্ষা আগামীর একটি স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথ দেখাবে।
ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস কনফারেন্সে গণমাধ্যমকর্মী, গবেষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের উপস্থিতিতে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যা আসন্ন নির্বাচনপূর্ব জনমত অনুধাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বক্তারা মনে করেন।
এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডা. কাজী সাইফউদ্দীন বেননূর, উপদেষ্টা, এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট এবং জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করেন ডা. শামীম হায়দার তালুকদার, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট।
তাছাড়াও প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন- ১.মীর নাদিয়া নিভিন,গণতন্ত্র ও প্রাতিষ্ঠানিক বিশেষজ্ঞ,সাবেক সদস্য-বাংলাদেশ নির্বাচন সংস্কার কমিশন, প্রাক্তন কর্মকর্তা, UNDP২.ডঃ রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, অধ্যাপক, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৩. প্রফেসর শামসুল আলম সেলিম, চেয়ারম্যান, সরকার ও রাজনীতিবিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়৪. তৌফিক জোয়ার্দার, সহযোগী অধ্যাপক, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর ৫. ড. সোহাগ আওয়াল, উপাচার্য, পাবনাবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৬. প্রফেসরড . নাহরীন আই. খান, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়৭. অধ্যাপক এ. এস. এম. আমানুল্লাহ, উপাচার্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
বিভি/এজেড



মন্তব্য করুন: