• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

এই সরকারের আমলে হচ্ছে না চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি: আশিক চৌধুরী

প্রকাশিত: ১৯:০৬, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১৯:০৭, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ফন্ট সাইজ
এই সরকারের আমলে হচ্ছে না চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি: আশিক চৌধুরী

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না। তিনি বলেন, ডিপি ওয়ার্ল্ড আমাদের কাছে কিছুটা সময় চেয়েছে। কিন্তু, আমাদের হাতে মাত্র দুইটি কার্যদিবস বাকি রয়েছে। তাই এই সময়ের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হওয়া সম্ভব নয়।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আশিক চৌধুরী জানান, প্রকল্পটি ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল। গত এক মাস ধরে চুক্তির চূড়ান্ত বোঝাপড়ার ধাপে আলোচনা চলছে, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে আরও কিছু সময় লাগবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে, নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা না দেওয়ার দাবিতে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’ অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে। কর্মসূচি শুরুর পর চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। রবিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মবিরতির ফলে জেটি, ইয়ার্ড, টার্মিনাল, প্রশাসনিক ভবন এবং বহির্নোঙরসহ (আউটার লাইটারেজ) বন্দরের সব এলাকায় পণ্য খালাস ও পরিচালনা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ সকাল সাড়ে ৯টায় প্রায় ২০০ জন সাধারণ কর্মচারী ও শ্রমিককে বন্দর ভবনের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভায় উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেয়। তবে আন্দোলনকারীরা এই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন। বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক এবং বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খোকন গণমাধ্যমকে বলেন, “সকাল ৮টা থেকে বন্দরে সব ধরনের কাজ বন্ধ রয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি চলবে।”

উল্লেখ্য, শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কর্মসূচির ঘোষণা দেন মো. ইব্রাহিম খোকন। এনসিটি ইজারা বাতিলের পাশাপাশি তাদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে—চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানকে প্রত্যাহার, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া সব শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা ও সব ধরনের আইনি হয়রানি বন্ধ করা।

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন: