• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

৩০ এপ্রিল সিলেট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: আমিনুল হক

প্রকাশিত: ০০:০৭, ২ এপ্রিল ২০২৬

ফন্ট সাইজ
৩০ এপ্রিল সিলেট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: আমিনুল হক

ছবি: তারেক রহমান (সংগৃহীত)

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর আগামী ৩০ এপ্রিল প্রথমবারের মতো সিলেটে আসছেন তারেক রহমান। ওই দিন তিনি সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে দেশব্যাপী একযোগে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।  

বুধবার (১ এপ্রিল) সিলেট জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। 

পরিদর্শনকালে স্টেডিয়ামের জরাজীর্ণ দশা দেখে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নয়নের নামে কেবল মেগা দুর্নীতি ও লুটপাট হয়েছে। 

তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সময়ে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় থেকে উন্নয়নের আড়ালে ব্যাপক অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং যার ফলে আজ ঐতিহ্যবাহী এই স্টেডিয়ামের এমন করুণ দশা তৈরি হয়েছে। 

আমিনুল হক উল্লেখ করেন, এ অচলাবস্থা থেকে উত্তরণে এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে পুনরুজ্জীবিত করতে আগামী ৩০ এপ্রিল সিলেট জেলা স্টেডিয়ামসহ দেশের প্রতিটি জেলায় একযোগে ‘নতুন ক্রীড়া কর্মসূচির’ সূচনা হবে, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে সশরীরে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তৃণমূলের প্রতিভা অন্বেষণের এই মহতী উদ্যোগের শুভ উদ্বোধন করবেন।  প্রথম পর্যায়ে ফুটবল ও ক্রিকেটসহ মোট সাতটি ভিন্ন ভিন্ন ইভেন্ট নিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হবে, যেখানে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সি কিশোর-কিশোরীরা বিভিন্ন উপজেলার হয়ে অংশ নেবে।

প্রতিমন্ত্রী মতে, তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাকে জাতীয় স্তরে তুলে আনাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য এবং এর মাধ্যমেই ভবিষ্যতে একটি দক্ষ ও শক্তিশালী জাতীয় দল গঠন করা সম্ভব হবে।  

ক্রীড়া খাতের সংস্কার ও আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার খেলোয়াড়দের কল্যাণে বদ্ধপরিকর এবং এরই মধ্যে ১২৯ জন জাতীয় ক্রীড়াবিদকে ভাতার আওতায় আনা হয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় আগামী সাত দিনের মধ্যে আরও ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই ভাতার অন্তর্ভুক্ত করা হবে। 

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ক্রীড়াকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ ক্রীড়া বৃত্তির ব্যবস্থাও রাখা হবে যাতে তারা পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে পারে। 

প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, দেশে ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে মাঠমুখী করা সম্ভব হবে এবং এর মাধ্যমেই একটি সুস্থ, সবল ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা যাবে।   

এর আগে প্রতিমন্ত্রী দুপুর ১টায় সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন এবং সেখানে প্রশিক্ষণরত ক্ষুদে ক্রিকেটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে তাদের উৎসাহ দেন।  

পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী, বিসিবি পরিচালক রাহাত শামস, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক রাজিন সালেহ, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ রেজাউল করিম নাচনসহ বিভিন্ন ক্রীড়া ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

বিভি/এআই

মন্তব্য করুন: