• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক কফি দিবস আজ

প্রকাশিত: ০১:১৯, ১ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
আন্তর্জাতিক কফি দিবস আজ

ছবি: সংগৃহীত

আজ ১ অক্টোবর, আন্তর্জাতিক কফি দিবস। দিনটি কফি শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবার কর্মপ্রচেষ্টার বৈশ্বিক স্বীকৃতিস্বরূপ। তবে কৃষক থেকে কোম্পানি পর্যন্ত সব স্তরের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা দিনটির মূল উদ্দেশ্য।

প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি কাপ কফি পান করা হয়। দিনের শুরু হোক বা আড্ডা বা আলাপ আলোচনা, কফি জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। আর সে কারণে আন্তর্জাতিক কফি সংস্থা (আইসিও) ২০১৪ সাল থেকে ১ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক কফি দিবস হিসাবে ঘোষণা করে। ২০১৫ সালে ইতালিতে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কফি দিবস উদযাপিত হয়।  ব্রাজিলে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি কফির উৎপাদন হলেও, কফি পানের দিক থেকে এগিয়ে ফিনল্যান্ডের মানুষ। 

পানীয় হিসেবে বিশ্বে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে কফি। উচ্চমাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বেশ কিছু উপকারী উপাদানের জন্য কফি অনেক রোগের ঝুঁকি কমাতেও সক্ষম। এছাড়াও কফি পানে রয়েছে আরও কিছু উপকারিতা। 

বিশ্বে কফি উৎপাদনে শীর্ষ দেশ হলো- ব্রাজিল, যা বিশ্ব সরবরাহের একটি বড় অংশ সরবরাহ করে। ব্রাজিল ছাড়াও, ভিয়েতনাম কফি উৎপাদনে দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে কলাম্বিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ইথিওপিয়া। ব্রাজিল- উৎপাদন ও সরবরাহের দিক থেকে বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে। ভিয়েতনাম- বিশ্বের কফি উৎপাদনের প্রায় ২০ শতাংশের জন্য দায়ী এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক। কলম্বিয়া-ল্যাটিন আমেরিকার একটি প্রধান কফি উৎপাদনকারী দেশ। ইন্দোনেশীয়-এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কফি উৎপাদনকারী। 

কফির উৎপত্তি নিয়ে প্রচলিত রয়েছে নবম শতাব্দীর একটি রোমাঞ্চকর লোকগাথা। কথিত আছে, ইথিওপিয়ার এক মেষপালক কালদি একদিন লক্ষ্য করেন, একটি বিশেষ বুনো গাছের লালচে ফল খাওয়ার পর তার ছাগলগুলো অস্বাভাবিকভাবে চঞ্চল হয়ে উঠছে। বিষয়টি তার কৌতূহল বাড়িয়ে দেয়। পরে ওই ফলের বীজ নিয়ে শুরু হয় নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা। একপর্যায়ে বীজ সেদ্ধ করে পানীয় হিসেবে গ্রহণের প্রচলন শুরু হয় বলে ধারণা করা হয়।

ইয়েমেন ও অটোমান সাম্রাজ্যের হাত ধরে ধীরে ধীরে কফি ছড়িয়ে পড়ে ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে। সময়ের সঙ্গে পানীয়টি হয়ে ওঠে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পানীয়। বর্তমানে বিভিন্ন দেশে কফি শুধু পানীয় হিসেবেই নয়, সামাজিকতা, আড্ডা ও কর্মজীবনের সংস্কৃতির সঙ্গেও যুক্ত।

এসপ্রেসো, ক্যাপাচিনো, লাতে ও মোকাসহ নানা ধরনের কফি এখন মানুষের রুচির অংশ।  বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও কফি সংস্কৃতির বিস্তার ঘটেছে। কয়েক দশক আগেও যেখানে আড্ডার প্রধান অনুষঙ্গ ছিল চা, সেখানে এখন শহরের বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে আধুনিক কফিশপ। তরুণদের আড্ডা, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, ফ্রিল্যান্সারদের কাজ কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য ক্যাফেগুলো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। 

বিভি/এআই

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত